উৎপল শুভ্র: বাংলাদেশ ৩-পাকিস্তান ০...বিশ্বাস হচ্ছে?

মাশরাফি বিন মুর্তজা: (হাসি) কাল রাতেই মনে হচ্ছিল, এটা আমাদের সেরা অর্জনগুলোর একটি। সেই ১৯৯৯ সালের পর থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে আমরা কখনোই জিততে পারিনি। নিজেরাও সব সময় আলাপ করতাম, সবার সঙ্গে জিতেছি, এদের সঙ্গে কেন পারি না! এটা এখন আর কারোর চিন্তায় থাকবে না। এর পর যখন ওদের সঙ্গে খেলব, সবার মনে থাকবে আমরা ৩-০-তে জিতেছি। এটা খুব ভালো হলো।

শুভ্র: এত দিন পাকিস্তানকে হারাতে না পারায় একটা মানসিক বাধাও কি কাজ করত? অবচেতন মনে সবার মনে হতো, শেষ পর্যন্ত তো ওদের সঙ্গে পারবই না...

মাশরাফি: কিছুটা তো বটেই। ক্রিকেট খেলাটাতে আত্মবিশ্বাস আর মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারটা খুব কাজ করে। আমার মনে হয়, এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে যে ম্যাচগুলোয় আমরা জিততে জিততে হেরেছি, সেগুলোতে আমরা নিজেরাই হারার নানা পথ বের করে নিতাম। ওদের সঙ্গে অনেক ক্লোজ ম্যাচ হেরেছি তো, এ জন্য মনে এটা কাজ করতই, এদের সঙ্গে তো আমরা জিততে পারি না। যাক, ভবিষ্যতে আর এমন হবে না।

শুভ্র: এখন তো পাকিস্তান মনে হলে এই ৩-০-ই মনে হবে। এই সিরিজের আগে সবচেয়ে বেশি কী মনে হতো?

মাশরাফি: ২০১২ সালের এশিয়া কাপের ফাইনালটার কথা ভেবেই বেশি খারাপ লাগত। ওই এশিয়া কাপেই প্রথম ম্যাচটাও (বাংলাদেশ ২১ রানে হেরেছিল)। কারণ ওই হারে আমারও একটু দায় ছিল। সাকিবকে একটু সাপোর্ট দিতে পারলেই আমরা হয়তো জিতে যেতাম। আমি শট না খেলে যদি উইকেটে শুধু দাঁড়িয়ে থাকতাম, তাহলেও সাকিব একা ম্যাচ বের করে নিত। ওই যে বললাম না, কেউ না কেউ হারার কোনো না কোনো পথ বের করে ফেলতাম। সর্বশেষ এশিয়া কাপেও দেখেন না, আফ্রিদি এসে ২৫ বলে ৫৯ করে আমাদের ৩২৬ রান টপকে গেল।

শুভ্র: আপনি সেই কবে থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে খেলছেন। তখন তো আমরা হারব জেনেই খেলতাম। এমন কোনো ম্যাচ কি মনে পড়ে, যখন মাঠে খুব অসহায় লেগেছিল?

মাশরাফি: ২০০৩ পাকিস্তান সফরের কথা মনে পড়ে। তখন তো আমরা শুধু ভালো খেলার জন্যই খেলতাম। ওদের ব্যাটসম্যানরা নামত, নানা ফাজলামি করত...এভাবেই খেলাগুলো হয়েছে। ওদের ভাবভঙ্গি দেখে মনে হতো, আমাদের তাচ্ছিল্য করছে। খুব খারাপ লাগত। ওই সময় আমাদের চিন্তাভাবনাও ছিল অন্য রকম—দুই শ করতে পারলেই হয়তো খুশি থাকতাম। ধীরে ধীরে অবস্থাটার পরিবর্তন হয়েছে। বলতে পারেন ২০১০-১১ সাল থেকে।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার ম্যাচে। ২৩ এপ্রিল, ২০১৫। মিরপুর। ছবি; শা. হ. টেংকু

শুভ্র: নির্দিষ্ট কোনো ঘটনা আছে, যেটি খুব খারাপ লেগেছিল?

মাশরাফি: না, ওরা সরাসরি কিছু বলেনি। তবে মুখে না বলেও তো অনেক কিছু বোঝানো যায়। একবার আফ্রো-এশিয়া কাপে খেলতে গেছি...আশরাফুল, আমি, রফিক ভাই, তামিমও। শহীদ আফ্রিদিও ছিল। তখন বুঝতে পেরেছি, ওরা আমাদের কী চোখে দেখে। ওদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য কতটুকু। আমরা তখন মেনেও নিয়েছি...ভাবতাম ওরা বড় টিমের প্লেয়ার। আফ্রিদি হয়তো বলল, বাঙালি বাবু কেমন আছ? আমি তোমাকে ভালোবাসি...এই টাইপের কথাবার্তা। ধরেন, ভারতীয় ক্রিকেটাররা বসে আছে, সামনে দিয়ে আমি হেঁটে আসছি, তখন কিছু বলল। সিরিয়াস কিছু না, আমরাও হয়তো তখন মানসিকভাবে দুর্বল ছিলাম। শুধু পাকিস্তান কেন, এমন বললে ভারতের বা শ্রীলঙ্কার অনেক ক্রিকেটারেরও দোষ দেওয়া যায়। ২০০৮ সালে পাকিস্তানে এশিয়া কাপে আমরা সুইমিং করছি, জয়াসুরিয়া আর মুরালিধরন এসে বলছে, তোমরা সুইমিং করো কেন? সুইমিং করে কী লাভ! আগে মাঠে প্র্যাকটিস করো। এমন অনেক অপমানজনক কথাবার্তা শুনতে হয়েছে। বরং পাকিস্তানিরাই এত বাজে কিছু বলেনি।

শুভ্র: সিরিজ শুরুর দিন পনেরো আগেই যে সাকিব বাংলাদেশকে ফেবারিট বলে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, সেটি শুনে আপনার কী মনে হয়েছিল?

মাশরাফি: দুই রকম মনে হয়েছে। ওর আত্মবিশ্বাস দেখে ভালো লেগেছে, আবার মানুষ এটা কীভাবে নেবে, এ নিয়ে একটু চিন্তাও হয়েছে। তবে ও কিন্তু বিশ্বকাপেও বলেছে, আমরা এখন যেমন দল, যেকোনো জায়গায় যেকোনো দলকে হারিয়ে দিতে পারি। আর দেশে খেলা হলে আমরাই ফেবারিট। ঘটনা হলো, ও মনের কথাটা বলে ফেলেছে। একেকজন একেক রকম মানুষ, আমি এক রকম, সাকিব আরেক রকম। আমি হলে হয়তো বলতাম না। ও বলেছে। এখন বলব, বাড়তি চাপ তৈরি হলেও কথাটা বলে ও ভালোই করেছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটা ও বিশ্বাস করে বলেই বলেছে।

অধিনায়ক মাশরাফি। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার ম্যাচেই। ছবি; শা. হ, টেংকু

শুভ্র: এই ‘বাংলাওয়াশে’ কি বিশ্বকাপের আত্মবিশ্বাস কাজ করেছে?

মাশরাফি: অবশ্যই। আমি কিন্তু বিশ্বকাপে যাওয়ার আগেই বলেছিলাম, বিশ্বকাপে যদি আমরা ভালো খেলি, তাহলে এই বছরটা ভালো হওয়ার সুযোগ বেশি। কারণ বিশ্বকাপ এমন একটা মঞ্চ, যেখানে কোনো খেলোয়াড় বা টিম ভালো খেললে তার কনফিডেন্স বা ওই টিমের কনফিডেন্স খুব ভালো জায়গায় চলে যায়। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কা কাপ নিয়েছে, সেটা কেউ আশা করেনি। তবে এর পর থেকেই কিন্তু শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বদলে গেছে। শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনাল খেললেও একই জিনিস হতো। বিশ্বকাপে ভালো পারফরম্যান্স একটা দলকে বদলে দিতে পারে।

শুভ্র: আপনি যখন আবার ওয়ানডের অধিনায়ক হয়েছেন, বাংলাদেশ দল তখন ঘোর দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০১৪ সালে তখন পর্যন্ত কোনো জয় নেই। দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কোন দিকটি বদলানো দরকার বলে মনে করেছিলেন?

মাশরাফি: একটা জিনিসই আমি প্লেয়ারদের কাছ থেকে চেয়েছি, যেকোনো পরিস্থিতিতে মাথা উঁচু রাখতে হবে। আমি অনেক সময় মাঠে চিৎকার করি, যাতে কেউ হাল ছেড়ে না দেয়। প্রতিপক্ষের একটা পার্টনারশিপ হলেই হয়তো দেখা গেল, কেউ মাথা নিচু করে হেঁটে যাচ্ছে। তখন আমি চিৎকার করি। কারণ ওই জিনিসটা দলে ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই না, ধরেন আমি তখন বল করছি, মার খাচ্ছি বলে আমি তো এমনিতেই ডাউন, আমাকে চাঙা করার দায়িত্ব আর দশজনের। ঠিক আছে, এর মধ্যেও নিজের সঙ্গে লড়াই করে একটা বল করলাম, যাতে ক্যাচ উঠল। কিন্তু ওই ফিল্ডার ডাউন থাকলে তো সে ক্যাচটা ছেড়ে দেবে। আবার ওই ক্যাচটাই সে যদি নেয়, তাহলে সেটি ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে যেতে পারে। কারণ একটা উইকেট আরেকটি উইকেট নিয়ে আসে। তাতেই হয়তো ম্যাচ ঘুরে যায়। অস্ট্রেলিয়াকে এত বছর ধরে দেখে আসছি, ওরা কিন্তু ১ রান বাকি থাকতেও খেলা ছাড়ে না। আমিও দলের কাছে শুধু এই জিনিসটাই চাই।

রুবেল হোসেনের সঙ্গে উইকেট পাওয়ার আনন্দ ভাগাভাগি। ছবি: শা. হ. টেংকু

শুভ্র: আবার দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম টিম মিটিংয়েই কি এই চাওয়াটা সবাইকে জানিয়ে দিয়েছিলেন?

মাশরাফি: শুধু টিম মিটিং কেন, সবার সঙ্গেই আলাদা কথা বলতে হয়েছে। সিনিয়র খেলোয়াড়দের সাহায্যটা এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সাকিব-তামিম-রিয়াদ সব সময়ই তা করেছে। আর মুশফিক...মানুষ হিসেবে আমি ওকে বলব অসাধারণ। এত ভালো পারফর্ম করার পরও ওর অধিনায়কত্ব চলে গেল। কেউ শুনে অবাক হতে পারে, তবে ওকে আমি যতটুকু চিনি, তাতে আমি জানতাম ও আমাকে ঠিকই সহযোগিতা করবে। বরং আমি অবাক হয়েছি, যা আশা করেছিলাম, ও এর চেয়েও বেশি করছে। আমি কাউকে কখনো এই কথা বলিনি যে, জিততেই হবে। আমার একটাই কথা, দেখে যেন মনে না হয় আমরা খেলার জন্য খেলতে নেমেছি। জেতার কথা মুখে বলার দরকার নেই। আমাদের ভেতরে বিশ্বাসটা থাকলেই হলো যে, আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামছি। মনেপ্রাণে এই বিশ্বাসটা থাকা জরুরি।

শুভ্র: বাংলাদেশ দলে এখন এক শর বেশি ম্যাচ খেলা পাঁচজন খেলোয়াড়, দেড় শ ম্যাচ খেলেছে বা খেলতে যাচ্ছেন এমন খেলোয়াড় চারজন। এই অভিজ্ঞতাটাও তো সাফল্যের বড় কারণ, তাই না?

মাশরাফি: এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের টপ অর্ডারে তামিম-সাকিব-মুশফিক-রিয়াদ অনেক অভিজ্ঞ। বোলিংয়ে আমি আছি, রুবেলেরও সাত বছর হয়ে গেল, ও এখন ওর সেরা খেলাটা খেলছে। আবার তাসকিন একেবারে নতুন। এই কম্বিনেশনটা খুব ভালো। একাদশের বাইরে যারা আছে, তারাও অনেক কিছু শিখতে পারছে। এই যে রনি (তালুকদার) এসে সবকিছু দেখছে। দেখে শেখার চেয়ে বড় কিছু পৃথিবীতে আর কিছু নেই। ও যখন সুযোগ পাবে, এটা কাজে লাগবে।

এই ছবিটা বছর দশেক আগের। বাংলাদেশ দলের সব উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়ে ছিলেন মাশরাফি। ছবি: আবদুল হান্নান

শুভ্র: আপনি প্রায় ১৪ বছর বাংলাদেশ দলে। আগের তুলনায় এখনকার তরুণ খেলোয়াড়দের মানসিকতায় কি একটা পরিবর্তন টের পান?

মাশরাফি: এটা হলো টিমের কালচারের ব্যাপার। ন্যাশনাল টিমের কালচারটা যদি ঠিক থাকে, নতুন যে আসবে, তাকে ওটাই মেনে চলতে হবে। এই দলে নতুন তাসকিন, সৌম্য...এরা কিন্তু কখনো অজুহাত খোঁজে না। খারাপ খেললে তা মেনে নেয়। সমস্যাটা স্বীকার না করলে কিন্তু সেটি থেকে বেরোনো যায় না। এখনকার ছেলেদের এই জিনিসটা খুব ভালো লাগে। ওরা অনেক পজিটিভও। তাসকিন-সৌম্যরা কাউকে ভয় পায় না। ওরা বেড়ে ওঠার সময় বাংলাদেশকে জিততে দেখেছে, এটাও একটা কারণ হতে পারে।

শুভ্র: এ বছর তো বাংলাদেশের সামনে অনেক খেলা। এর পর ভারত আসছে, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকাও আসছে...

মাশরাফি: এখনই এসব নিয়ে ভাবার দরকার নেই। এখনো টেস্ট সিরিজ বাকি। আমি কালও প্রেস কনফারেন্সে বলেছি, টেস্টে কাজটা অনেক কঠিন হবে। মিসবাহ থাকবে, ইউনিস খান থাকবে। যদি আমরা ড্র-ও করতে পারি, টেস্ট ক্রিকেটে আরেকটা ধাপ এগোনো হবে। ড্র করার অভ্যাস যখন তৈরি করব, তখন জয়ের রাস্তা ঠিকই খুলে যাবে। এক লাফে আমরা উঠতে পারব না। আস্তে আস্তে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা যদি টেস্টে ড্র করতে পারি, তাহলে সেটা হবে হিউজ রেজাল্ট। এই যে বড় সিরিজগুলো আসছে, অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা যদি এই ফর্মটা সবাই ধরে রাখতে পারি, তাহলে আমার বিশ্বাস ভালো খেলা হবে।

সাফল্যের তৃষ্ণাটা সব সময়ই ছিল তাঁর মধ্যে। ছবি: শা. হ. টেংকু

শুভ্র: ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডকে ‘বাংলাওয়াশ’ করার সিরিজে তো আপনি প্রথম ম্যাচেই ছিটকে পড়লেন। ২০১৩-তে খেলেছেন। ওই দুটির সঙ্গে যদি এবারের সাফল্যটা তুলনা করতে বলি...

মাশরাফি: সবগুলো হোয়াইটওয়াশই আমার কাছে স্মরণীয়। ২০১০ সালে আমি বাইরে চলে যাওয়ার পর সাকিব ক্যাপ্টেন হয়ে দারুণ করল। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে (গত ডিসেম্বরে) তো ক্যাপ্টেনই ছিলাম। এর আগে যখন জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করেছি, তখনো দলে ছিলাম। আমার কাছে দলে থাকা না-থাকা বিষয় না। আমি যখন ইনজুরড থাকি, তখনো মাঠে গিয়ে খেলা দেখি কেন? কারণ চাই, এই টিমটা জিতুক। এই টিমটা ভালো খেলুক। ২০১১ বিশ্বকাপে বাদ পড়ে এত আপসেট ছিলাম, তার পরও ঢাকার সব ম্যাচ আমি মাঠে গিয়ে দেখেছি। ভাবলে ভালো লাগে, আমরা ১০টা হোয়াইটওয়াশ করেছি। আমি দলে ছিলাম কি না, সেটা একবারের জন্যও ভাবি না। সত্যি বলছি, ক্রিকেট থেকে আমার আর ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। ২০০৮ সালে যখন ক্যাপ্টেন হলাম, তখন আমি আমার ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে। আমার পারফর্ম করার সবচেয়ে বড় সময়। তখনই যেখানে আমি টেস্ট ক্রিকেট থেকে আউট হয়ে গেলাম, আর কী নিয়ে আশা করব? তখন থেকেই ছোট হোক বড় হোক দলে যেন অবদান রাখতে পারি, এই আশা নিয়েই খেলে যাচ্ছি। একদম সত্যি বলছি, নিজে কী পেলাম এসব নিয়ে কোনো চিন্তাই করি না।

শুভ্র: শেষ প্রশ্ন, আপনার চোখে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা তিনটি সাফল্য কী?

মাশরাফি: ১৯৯৯ বিশ্বকাপ। ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি...

শুভ্র: ওই দুটি তো আলাদা, যা বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভিত গড়ে দিয়েছে। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর থেকে যদি বলতে বলি...

মাশরাফি: প্রথম টেস্ট জয়। ওটা আসলে যারা খেলেছে, তারাই বোঝে ওটার মজা কী। টেস্ট জয়ের আনন্দের আসলে তুলনা হয় না। এরপর আসবে ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ৪-০। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ। এই তিনটিই আমার কাছে ওপরে। এরপর পাকিস্তানের সঙ্গে এই সিরিজ জেতাটা।

আরও পড়ুন: যে সাফল্যের পর মাশরফির এই ইন্টারভিউ বাংলাওয়াশ! বাংলাওয়াশ!!