১ আগস্ট

১৯৮৯

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ জয়

১৬ বছরের জন্য অ্যাশেজে নিজেদের দখল হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ৯ উইকেটের জয়ে সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে গিয়েছিল ৩-০ ব্যবধানে। দিনটা ইংল্যান্ডের জন্য দুঃসংবাদ বয়ে এনেছিল আরও। ১৬ জন ইংলিশ ক্রিকেটার দক্ষিণ আফ্রিকায় 'রেবেল ট্যুর'-এ যাবেন বলে জানা যায় এদিন, যাদের মধ্যে ৯ জন আবার খেলেছিলেন সেবারের অ্যাশেজেই।

১৯৮৩

নিউজিল্যান্ডের `বিলেত` জয়

ইংল্যান্ডে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের টেস্ট জয়। হেডিংলি টেস্টে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন ল্যান্স কেয়ার্নস, এর মধ্যে এক ইনিংসে নিয়েছিলেন ৭ উইকেটও, সঙ্গে এউইন চ্যাটফিল্ডের ৬ উইকেটে ইংল্যান্ড দুই ইনিংসেই গুটিয়ে গিয়েছিল ২৬০-এর কম রানে। জয়ের জন্য চতুর্থ ইনিংসে লক্ষ্য ছিল ১০৩ রানের। বব উইলিসের হুমকি জয় করে নিউজিল্যান্ড জেতে ৫ উইকেটে। চতুর্থ বোলার হিসেবে ৩০০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন বব উইলিস।

১৯৬৯

শুভ জন্মদিন, গ্রাহাম থর্প!

গ্রাহাম থর্পের জন্ম। টেস্ট খেলেছিলেন ঠিক ১০০টি, তাতে ৪৪.৬৬ গড়ে ৬৭৪৪ রান। অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে, নব্বইয়ের দশকে ইংল্যান্ডের অধিকাংশ স্মরণীয় টেস্টেই বেশ ভালো ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।

১৯৬১

রিচি বেনোর ধ্বংসযজ্ঞ

ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টে ২৫৬ রানের টার্গেট পেয়ে ইংল্যান্ডই ছিল চালকের আসনে, ১ উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলেছিল ১৫০ রান। এরপরই রাউন্ড দ্য উইকেটে এসে রিচি বেনোর ১২ রানে ৫ উইকেটের সেই স্পেল। অস্ট্রেলিয়া জিতেছিল ৫৪ রানে।

১৯২৪

এক অধিনায়কের জন্ম

ফ্র‍্যাঙ্ক ওরেলের জন্ম। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়মিত নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অধিনায়ক তিনিই, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটকে এক সূতোয় গাঁথার কৃতিত্ব তাঁর। শুধুই একজন ক্রিকেটারের সীমানা ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন বলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট সিরিজের নামকরণ করা হয়েছে 'ফ্র‍্যাঙ্ক ওরেল ট্রফি', সেটাও যখন তিনি সেই সিরিজে খেলছেন! টেস্ট ক্যারিয়ার ৫১ টেস্টের, লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন মাত্র ৪২ বছর বয়সে।

অনুসন্ধান করুন