১ ডিসেম্বর

২০১৪

তাইজুলের কীর্তি

ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্টিকের প্রথম কীর্তি গড়েছিলেন বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিয়েছিলেন ১১ রানে ৪ উইকেট। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশ জিতেছিল ৫ উইকেটে।

১৯৬৩

 শুভ জন্মদিন, অর্জুনা রানাতুঙ্গা!

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রবাদপুরুষই বলতে হবে তাঁকে। দেশের প্রথম টেস্টে যেমন ছিলেন, ছিলেন শততম টেস্টেও। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট পরাশক্তি হয়ে উঠেছিল তাঁর হাত ধরেই। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে লঙ্কানরা রূপকথা লিখেছিল তাঁর নেতৃত্বেই। দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫৬ টেস্টেও, সব মিলিয়ে ৯৩ টেস্ট খেলে ৩৫.৬ গড়ে রান করেছেন ৫১০৫ রান। অবশ্য তাঁকে কেবল রানের মানদণ্ডে মাপতে যাওয়াটা তো ভারি অন্যায়ই।

১৯৪৭

প্রথম অস্ট্রেলিয়া-ভারত টেস্ট ম্যাচ!

ঘরের মাঠ ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়া প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয় ভারতের। দুই ইনিংসে মাত্র ৫৮ ও ৯৮ রানে অলআউট হয় ভারত, ম্যাচের আলো কাড়েন আর্নি টোশ্যাক। দুই ইনিংসে মাত্র ৩১ রানে ১১ উইকেট নেন 'ব্ল্যাক প্রিন্স'-খ্যাত এই বোলার। প্রথম ইনিংসে ডন ব্র‍্যাডম্যানের ১৮৫ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিটাও অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ও ২২৬ রানের জয়ে ভূমিকা রাখে।

১৮৯৩

শুভ জন্মদিন, হারমান গ্রিফিথ!

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর পথচলা শুরু বয়স ৩৪ পার হওয়ার পরে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেই সিরিজটা দুর্দান্ত কাটিয়েছিলেন গ্রিফিথ। ১৩ টেস্টে ৪৪ উইকেট নেওয়া গ্রিফিথের ক্যারিয়ার-সেরা বোলিং ১০৩ রানে ৬ উইকেট। কীর্তিটা গড়েছিলেন দ্য ওভালে। আর ১৯৩০-৩১ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের সিডনি টেস্টে তিনিই প্রথম ডন ব্র‍্যাডম্যানকে দেন টেস্ট ম্যাচে 'শূন্য' রানের স্বাদ।

১৮৭১

শুভ জন্মদিন আর্চি ম্যাকলারেন!

অ্যাশেজে সবচেয়ে বেশি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়া ইংলিশ অধিনায়ক আর্চি ম্যাকলারেনই। যদিও ২২ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন মাত্র ৪টিতেই। নিজের অধিনায়কত্ব অভিষেকেই খেলেছিলেন ১০৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস। ১৮৯৫ সালে টন্টনে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে ৪২৪ রানের ইনিংস খেলেন ম্যাকলারেন, যা কাউন্টি রেকর্ড হিসেবে টিকে ছিল ১৯৯৪ সালে ব্রায়ান লারা অপরাজিত ৫০১ রানের কীর্তি গড়ার পূর্ব পর্যন্ত।

অনুসন্ধান করুন