২৫ জুন

২০২০

৩০ বছর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছিল লিভারপুল। চেলসিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ৭ ম্যাচ বাকি থাকতেই।

১৯৯৪

ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১৫০০তম গোল করেছিলেন আর্জেন্টিনার ক্যাসারাস।

১৯৮৩

ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়। মাত্র ১৮৩ রানের টার্গেট দিয়ে উজ্জীবিত বোলিং-ফিল্ডিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪০ রানেই গুটিয়ে দেওয়া, মদন লালের বলে অনেকটা পথ উল্টো দৌড়ে কপিল দেবের নেওয়া ক্যাচ--সবই তো হয়ে গেছে রূপকথার অংশ।

১৯৭১

স্টিভ টিকোলোর জন্ম। 'ছোট দলের বড় তারকা' তকমাটা খুব চলত তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৯৯৬ বিশ্বকাপে ঘটানো আপসেট, বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফিতে ১৪৭ রানের ইনিংস, ২০০৩ বিশ্বকাপে কেনিয়াকে সেমিফাইনালে তোলা--স্টিভ টিকোলো বেঁচে থাকবেন এসব কীর্তিতেই।

১৯৬৩

লর্ডসে হয়েছিল নখ কামড়ানো এক টেস্ট। এতটাই যে, শেষ বলেও চার রেজাল্টের সবগুলোই সম্ভব ছিল। উইকেটে তখন ইংল্যান্ডের শেষ উইকেট জুটি, দরকার ৬ রান। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের চাই এক উইকেট। ডেভিড অ্যালেন অবশ্য নায়ক হতে গিয়ে খলনায়ক হতে চাননি। যে কারণে ওয়েস হলের করা বলটি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন।

১৯৩৪

বিংশ শতাব্দীতে লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট রেকর্ড জানেন? ১১ জয়, ১৩ ড্র আর ১ পরাজয়। ওই হেরে যাওয়া টেস্টটি শেষ হয়েছিল এই দিনেই। হেডলি ভেরিটির স্পিনে রীতিমতো নাজেহাল হতে হয়েছিল অজিদের। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০৪ রানে ১৫ উইকেট নিয়েছিলেন ভেরিটি। সাধে তো আর অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরে যাওয়া ম্যাচটিকে 'ভেরিটির ম্যাচ' বলা হয় না!

১৯৩২

ভারতের টেস্ট অভিষেক। অভিষেকের নার্ভাসনেস কাটিয়ে প্রথম সকালেই ইংল্যান্ডকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছিল তারা, ১৯ রানে তুলে নিয়েছিল ৩ উইকেট। তবে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন অধিনায়ক ডগলাস জার্ডিন। প্রথম ইনিংসে ৭৯'র পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ৮৫। ভারতও শেষ পর্যন্ত আর পারেনি অভিজ্ঞতার সঙ্গে, হেরেছিল ১৫৮ রানে।

অনুসন্ধান করুন