১৮ আগস্ট

২০১৮

যিনি অধিনায়ক, তিনিই রাষ্ট্রনায়ক!

পাকিস্তানের ২২তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন ইমরান খান। তাঁর দল তেহরিক-ই-ইনসাফ সর্বোচ্চ ভোট জিতলেও সরকার গঠনে সমর্থন লেগেছিল স্বতন্ত্র প্রার্থীদের।

২০১৬

বোল্টের হ্যাটট্রিক

টানা তৃতীয় অলিম্পিকে ২০০ মিটার স্প্রিন্ট জিতেছিলেন উসাইন বোল্ট। রিও অলিম্পিকে সময় নিয়েছিলেন ১৯.৭৮ সেকেন্ড।

২০১৪

বিদায় মাহেলা!

টেস্ট ক্রিকেটে মাহেলা জয়াবর্ধনের শেষ দিন। বিদায়টাও হয়েছিল মধুর, পাকিস্তানের বিপক্ষে কলম্বো টেস্ট জিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজও জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। রঙ্গনা হেরাথ ম্যাচে পেয়েছিলেন ১৪ উইকেট। নিজের শেষ টেস্ট ইনিংসে জয়াবর্ধনে করেছিলেন ৫৪, ১৪৯ টেস্টে ৩৪ সেঞ্চুরি আর ৫০ হাফ-সেঞ্চুরিতে টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করেছিলেন ১১,৮১৪ রানে।

২০০৮

বিরাট কোহলির অভিষেক!

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেছিলেন বিরাট কোহলি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক ওয়ানডেতে ২২ বল খেলে করেছিলেন ১২ রান, ভারতও অলআউট হয়ে গিয়েছিল ১৪৬ রানে। শ্রীলঙ্কা জয় পেয়েছিল ৮ উইকেটে।

২০০০

`দুই` দিনের টেস্ট!

হেডিংলিতে দুই দিনে শেষ হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট, ৫০ বছরের মধ্যে প্রথম। দ্বিতীয় দিনের দ্বিতোয় সেশনে শুরু হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস, ইংল্যান্ডের চেয়ে ঠিক ১০০ রাম পেছনে থেকে। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ গুটিয়ে গিয়েছিল ৬১ রানে, তিন টেস্টের মধ্যে তাদের দ্বিতীয় দুই অঙ্কের স্কোর। এতেই ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড।

১৯৩৪

পন্সফোর্ড-ব্র‍্যাডম্যানের ৪৫১ রানের জুটি

অ্যাশেজ নিজেদের কাছে রাখতে ওভাল টেস্ট ড্র হলেই ইংল্যান্ডের চলত। তবে ম্যাচটা তারা হেরে গিয়েছিল ৫৬২ রানে। হারবে না আবার! পাঁচ ঘণ্টায় বিল পন্সফোর্ড-ডন ব্র‍্যাডম্যান গড়েছিলেন ৪৫১ রানের জুটি, টেস্ট ক্রিকেটের তখনকার সর্বোচ্চ জুটি। পন্সফোর্ড করেছিলেন ২৬৬, ব্র‍্যাডম্যান ২৪৪।

১৯২০

ওয়ালি হ্যামন্ড এলেন

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ঘটেছিল স্যার ওয়ালি হ্যামন্ডের। চেল্টেনহ্যামে তাঁর দল গ্লস্টারশায়ারের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল ল্যাঙ্কাশায়ার। শুরুটা অবশ্য দুঃস্বপ্নের মতো, আউট হয়েছিলেন শূন্য রানে। তবে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ছুঁয়েছিলেন ৭০০০ রানের মাইলফলক, প্রথম ফিল্ডার হিসেবে নিয়েছিলেন ১০০ ক্যাচ; হ্যামন্ডের তাই আক্ষেপ থাকার কথা নয়।

১৯২০

শুভ জন্মদিন, গডফ্রে ইভান্স!

গডফ্রে ইভান্সের জন্ম। ইংল্যান্ডের হয়ে খেলেছিলেন ৯১ টেস্ট, ডিসমিসাল সংখ্যা ২১৯-- তাঁর অবসরের সময় টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ।

অনুসন্ধান করুন