৩ মে
২০০২
লাহোরে নিউজিল্যান্ডকে ইনিংস ও ৩২৪ রানে হারিয়ে পাকিস্তান পেয়েছিল রানের ব্যবধানে টেস্ট ক্রিকেটের পঞ্চম সর্বোচ্চ জয়ের দেখা। ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছিলেন ইনজামাম-উল-হক, ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছিলেন শোয়েব আখতার (৬-১১)।
১৯৯৭
আইবিএম সুপার কম্পিউটার ডিপ ব্লু'র সঙ্গে দাবা ম্যাচ খেলতে বসেছিলেন গ্র্যান্ডমাস্টার গ্যারি কাসপারভ।
১৯৭৮
বব সিম্পসনের শেষ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয় পাওয়া তখন সময়ের ব্যাপার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাত্র এক উইকেট তুলে নিলেই চলে, বল পাওয়া যাবে ৩৮টি। কিন্তু জ্যামাইকার দর্শকেরা দলকে অপরাজিত রাখার তাগিদে নেমে এলেন মাঠে। অভিযোগ, ভ্যানবার্ন হোল্ডারকে ভুল আউট দিয়েছেন আম্পায়ার। হাঙ্গামায় সেদিন আর খেলাই হয়নি। চাইলে খেলা চালানো যেত পর দিনও, কিন্তু রাজি হননি আম্পায়ার রাল্ফ গোসেইন।
১৯৫৫
ডেভিড হুকসের জন্ম। বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে 'একদিনে বাংলাদেশকে টেস্ট হারানোর উপায়' বাতলে পরিচিতি পেলেও এই অজি ভদ্রলোক খেলোয়াড়ি জীবনে গড়েছেন দুর্দান্ত সব রেকর্ড। ডালউইচের হয়ে ক্লাব ক্রিকেটে ওভারে হাঁকিয়েছেন ছয়টি ছক্কা, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ছয় ইনিংসের মধ্যে পাঁচটি সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ডও আছে তাঁর। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯৮২-৮৩ মৌসুমেই ৩৪ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে, স্বীকৃত ক্রিকেটে সে সময়ের দ্রুততম।
১৮৬৭
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি জ্যাক হিয়ার্নের জন্ম। ক্যারিয়ারে পাওয়া ৩০৬১ উইকেটের মধ্যে তিনটিকে বোধ হয় আলাদা মর্যাদাই দেবেন তিনি। ১৮৯৯ সালে হেডিংলি টেস্টে ক্লেম হিল, সিড গ্রেগরি আর মন্টি নোবেলকে পর পর তিন বলে আউট করে হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের পক্ষে প্রথম হ্যাটট্রিকের স্বাদ পাওয়া বোলার।







