৫ ডিসেম্বর

১৯৯০

কিশোর শচীনের ম্যাচজয়ী নৈপুণ্য

১৭ বছর বয়সী শচীন টেন্ডুলকার নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন পুনেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেই ম্যাচে বল হাতে দুই উইকেট, দুটি ক্যাচ ও একটি রানআউটও করেন শচীন। রানাতুঙ্গার ২৭ বলে ৫৮ রানের মারকুটে ইনিংসের পরও শেষ পর্যন্ত তাই ২২৮ রানের মাঝারি লক্ষ্য দেয় লঙ্কানরা, ভারত যা পেরিয়ে যায় ৬ উইকেট হাতে রেখেই।

১৯৮৮

মার্ভ হিউজের অদ্ভুতুড়ে হ্যাটট্রিক! 

পার্থে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ২১৭ রানে ১৩ উইকেট নেন হিউজ। তবে ম্যাচের প্রথম ইনিংসের ৩৬তম ওভারের শেষ বলে আউট করেছিলেন কার্টলি অ্যামব্রোস, এরপর ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে প্যাট্রিক প্যাটারসনকে (ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের শেষ বলে) এবং দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম বলে গর্ডন গ্রিনিজকে আউট করে তুলে নেন অদ্ভুতুড়ে এক হ্যাটট্রিক! যদিও ভিভ রিচার্ডসের ১৫০ বলে ১৪৬ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ডেসমন্ড হেইন্সের সেঞ্চুরিতে ১৬৯ রানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ক্যারিবিয়ানরা।
 

১৯৮৫

শুভ জন্মদিন, শিখর ধাওয়ান! 

২০০৪ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়া ধাওয়ান ক্রিকেট বিশ্বে পরিচিত তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের জন্যই। মোহালিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই ভারতীয় উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটা (১৭৪ বলে ১৮৭ রান) তারপরও যথেষ্টই বিস্ময় জাগায়। ৩৪ টেস্টে ৪০ গড়ে ২৩১৫ রান করা ধাওয়ান ভারতের মাত্র তৃতীয় ওপেনার হিসেবে বিদেশের মাটিতে টানা দুটি টেস্টে শতরান করেছেন (ফতুল্লা ও গল, ২০১৫)। 
 

১৯৬৪

কেন ব্যারিংটনের কীর্তি

ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ১৪৮ রান করেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান কেন ব্যারিংটন। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ইনিংস ও ১০৪ রানের জয়ে অবদান রাখার পাশাপাশি এই টেস্টে ব্যারিংটন ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট খেলুড়ে ছয়টি দলের বিপক্ষে (শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ তখনো টেস্ট দলের মর্যাদা পায়নি) সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েন।
 

১৯৫৮

’সর্বকাল-সেরা’ দলের এমন পতন! 

১৯৫৮-৫৯ সালের অ্যাশেজের ইংল্যান্ড দলকে কাগজে-কলমে সর্বকালের সেরা দল মনে করতেন অনেকেই। কিন্তু সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই ব্রিসবেনে ১৩৪ রানে অলআউট হয় ইংলিশরা। এ ম্যাচে পিটার মে ইংল্যান্ডের হয়ে রেকর্ড ২৬তম বারের মতো নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। যদিও ৪-০ ব্যবধানে অ্যাশেজ হারের পর অনেক কাটাছেঁড়া হয় তাঁর নেতৃত্বাধীন দলকে নিয়ে। 
 

১৯২৮

ব্র্যাডম্যান যখন ড্রপড্

ব্রিসবেনে টেস্টের শেষ দিনে ইংল্যান্ডের দেওয়া ৭৪২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে মাত্র ৬৬ রানেই অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ১৮ রান করা ডন ব্র্যাডম্যান এবার করেন মাত্র ১ রান। যে কারণে বাদ পড়েন পরের টেস্টের দল থেকে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথমবার, শেষবারও! 
 

অনুসন্ধান করুন