৭ সেপ্টেম্বর

১৯৯৬

আরও একবার শ্রীলঙ্কা

বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি তখন মাত্র কয়েক মাসই অতীত। অস্ট্রেলিয়াকে ফের ফাইনাল হারের স্বাদ দেয় শ্রীলঙ্কা, এবার সিঙ্গার সিরিজের ফাইনালে। হন্তারক সেই অরবিন্দ ডি সিলভাই! সিলভার ৭৫ রানের ইনিংসে চড়ে শ্রীলঙ্কা দাঁড় করায় ২৩৪, লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ধসে পড়ে অজিরা৷ তাই তো নিজের ২০০তম ওয়ানডেতে অর্ধশতক হাঁকিয়েও শিরোপা হারাতে হয় স্টিভ ওয়াহকে।

১৯৭৫

মাঠ ছাড়লেন হানিফ মোহাম্মদ

ক্রিকেটের আদি লিটল মাস্টার হানিফ মোহাম্মদ প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের হয়ে, হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে৷ ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ২৩৮টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে। টেস্টে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি সময় (৯৭০ মিনিট) ব্যাট করার কৃতিত্ব তাঁর।

১৯৬৩

প্রথম জিলেট কাপ সাসেক্সের!

সীমিত পরিসরের ঘরোয়া ক্রিকেট আয়োজনের উদ্বোধনী আসরের ফাইনাল ছিল বৃষ্টিবিঘ্নিত। সাসেক্স আর উস্টারশায়ারের মধ্যকার সেই ফাইনালে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাসেক্স অধিনায়ক টেড ডেক্সটার, উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমানাক যাকে আখ্যা দিয়েছে 'সুপার ট্যাকটিকস' বলে। সাসেক্সের দেওয়া ১৬৮ রানের লক্ষ্য থেকে ১৪ রান আগেই থেমে যায় উস্টারশায়ার। সাসেক্স শিরোপা জিতেছিল পরের বছরও।

১৯৫৬

সি.বি ফ্রাইয়ের জীবনাবসান

৮৪ বছর বয়সে অন্য লোকে পাড়ি জমিয়েছিলেন এই ভদ্রলোক। এর আগে অবশ্য একটা জীবন কাটিয়ে গেছেন। যে জীবনে ক্রিকেট খেলেছেন, সেখানে ৩৯৪ ম্যাচে রান করেছেন ৩০,৮৬৬ রান, সঙ্গে ১৬৬ উইকেট। খেলেছেন ফুটবলও, লিখেছেন সাহিত্য, করেছেন রাজনীতি, শিক্ষকতা, কূটনীতি….আরও কত কী!

১৮৭১

শুভ জন্মদিন, জর্জ হার্স্ট!

ইয়র্কশায়ারের হয়ে দাপিয়ে বেড়ানো এই অলরাউন্ডার উনবিংশ শতাব্দীর অস্ট্রেলিয়া দলের কাছে ছিলেন এক বিভীষিকার নাম! অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে হার্স্ট করেছিলেন পাঁচটি অর্ধশতক,পাশাপাশি চারবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন। ১৯০৬ সালে এক মৌসুমে ২০০০ রান ও ২০০ উইকেট প্রাপ্তির অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন, প্রথম শ্রেণির একই ম্যাচে দুটি সেঞ্চুরি ও দু'বার পাঁচ-উইকেট শিকার করা একমাত্র অলরাউন্ডারও এই ইংলিশ।

অনুসন্ধান করুন