অস্ট্রেলিয়ার নয়ে নয়

উৎপলশুভ্রডটকম

২০ ডিসেম্বর ২০২১

অস্ট্রেলিয়ার নয়ে নয়

আরেকটি উইকেট পতনের পর

জস বাটলারের প্রতিরোধে কাজ হয়নি, হওয়ার কথাও নয়। দিবা-রাত্রির টেস্টের একটা দলের নাম অস্ট্রেলিয়া হলে যে পরাজয়ই প্রতিপক্ষের নিয়তি! দিবা-রাত্রির নয় টেস্ট খেলে নয়টিতেই অস্ট্রেলিয়ার জয় ছাড়াও সংখ্যায় ধরা যায় অ্যাডিলেডের এই টেস্টের আরও অনেক কিছুকেই।

৯-০
ডে-নাইট টেস্ট মানেই অস্ট্রেলিয়ার রাজত্ব। একটাও হারেনি। আজ অ্যাডিলেডে দ্বিতীয় টেস্টে ইংল্যান্ডকে ২৭৫ রানের বিরাট ব্যবধানেই হারিয়েছে। তাতে গোলাপী বলে জয়ের শতভাগ রেকর্ড বহাল তবিয়তে আছে।  এই নয় ম্যাচের ৬টি খেলেছে অস্ট্রেলিয়া তাদের মাঠ অ্যাডিলেডে। এর মধ্যে আছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা দুটি টেস্ট ম্যাচ।  

ইংল্যান্ডের অধিনায়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হারের রেকর্ড এখন জো রুটের

২৩ 
জো রুটের জন্য ব্যাপারটা খানিকটা লজ্জার না হয়েই পারে না। তাঁর নেতৃত্বে ২৩টি টেস্ট হেরেছে ইংল্যান্ড। হারের দিক দিয়ে রুট পেছনে ফেলেছেন অ্যালিস্টার কুকের অধিনায়ক হিসেবে ২২ হারের রেকর্ডকে। রুটের ওই ২৩ হারের ৮টি অ্যাশেজে।
 
১২.৫৬
দ্বিতীয় ইনিংসে জস বাটলারের স্ট্রাইক রেট। ২০৭ বল খেলে করেছেন ২৬ রান। টেস্টের এক ইনিংসে ২০০ বা এর বেশি বল খেলে বাটলারের চেয়ে কম স্ট্রাইক রেটের মালিক আছেন আরও দুই ব্যাটসম্যান। ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা ২৪৪ বল খেলে ১০.২৪ স্ট্রাইক রেটে করেছিলেন ২৫ রান। প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। ইংল্যান্ডের জ্যাক রাসেল একবার ২৩৫ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। স্ট্রাইক রেট ছিল ১২.৩৪। ওটা ১৯৯৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায়। অ্যাডিলেড টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে বাটলারের ১১.৭১ স্ট্রাইক রেট এক টেস্টে ২০০-এর বেশি বল খেলা যে কোনো ব্যাটসম্যানের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। 

প্রতিরোধের অন্য নাম জস বাটলার। ছবি: গেটি ইমেজেস

১.৬৯
চতুর্থ ইনিংসে ইংল্যান্ডের রান রেট। ২০০০ সাল থেকে শুরু করে ১০০-এর বেশি ওভার হয়েছে, এমন ইনিংসে পঞ্চম সর্বনিম্ন। মানে ধীরগতির। এই সময়কালে বাকি যে চার সর্বনিম্ন টেস্ট ইনিংসের প্রত্যেকটাই খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১৯৯৮ সালে ওভালের পর অ্যাডিলেড টেস্ট দেখল ইংল্যান্ডের এমন ধীর টেস্ট ইনিংস। ২৩ বছর আগের ওই ম্যাচে ইংলিশরা দ্বিতীয় ইনিংসে ১২০.৪ ওভারে ১৯৮ রান করেছিল। রান রেট ছিল ১.৩৯।  

৩৭৯
ইংল্যান্ডের ৭ নম্বর থেকে নিচের দিকের ব্যাটসম্যানের খেলা মোট বলের সংখ্যা। এর আগে একবারই শুধু একটা দলের ৭ নম্বর থেকে শুরু করে নিচের দিকের ব্যাটসম্যানরা এত বেশি বল খেলেছিলেন। কাকতালীয়ভাবে, ২০১৪ সালে লিডসে ইংল্যান্ডের লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানরা ৪৫৯ বল খেলেও ম্যাচ বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

অ্যাডিলেড ওভালে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ডে এখন শেন ওয়ার্নের পাশে নাথান লায়ন। ছবি: গেটি ইমেজেস

৫৬
অ্যাডিলেড ওভালে অফ স্পিনার নাথান লায়নের নেওয়া উইকেট-সংখ্যা। যা এই মাঠে কোনো বোলারের যৌথ সর্বোচ্চ। লায়ন ছুঁয়ে ফেলেছেন লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নকে।

৪৮৫৯
অধিনায়ক হিসেবে জো রুটের রান। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে যা সবচেয়ে বেশি। ছাড়িয়ে গেছেন পূর্বসূরি অ্যালিস্টার কুককে। যাঁর রান ৪৮৪৪। পরের টেস্টে কুকের আরেকটা রেকর্ড স্পর্শ করবেন রুট। সবচেয়ে বেশি ম্যাচে (৫৯ ম্যাচে) ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড।

৫২
দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচে সবচেয়ে বেশি উইকেট এখন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের। ডে-নাইট টেস্টে ৫০ উইকেট শিকার করা প্রথম বোলারও। ৩৪ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নাথান লায়ন।

তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মন্তব্য
আরও পড়ুন
×