সাকিবের লাথি এবং নষ্ট ঘরোয়া ক্রিকেট

উৎপল শুভ্র

১২ জুন ২০২১

সাকিবের লাথি এবং নষ্ট ঘরোয়া ক্রিকেট

সাকিবের সেই লাথি। ছবি: প্রথম আলোর সৌজন্যে

বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেক দিন ধরেই যা চলছে, তাকে ক্রিকেট বলে না। পরিস্থিতিটা এখন এমন জায়গায় চলে গেছে যে, ম্যাচে সাকিবের লাথি দিয়ে স্টাম্প ভেঙে ফেলাকেও বেশির ভাগ মানুষ সমর্থন করছেন! ক্রিকেট বোর্ডের মহাশক্তিধর সভাপতি নাজমুল হাসান, আপনি কি এরপরও কিছু করবেন না? 

সাকিব আল হাসান আবার খবরে এবং যথারীতি ভুল কারণে। আরেকটি বিতর্কে। আবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরগরম, সংবাদমাধ্যমে সাকিবকে নিয়ে খবরের পর খবর। টেলিভিশনের টক শোতে অবধারিত বিষয়ও সাকিবের কাণ্ড।  

সেই কাণ্ডটা কী? আম্পায়ার এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া না দেওয়ায় রেগে গিয়ে স্টাম্পে লাথি মারা। তাতেও রাগ না কমায় স্টাম্প উপড়ে ফেলা। এটা অবশ্য না বললেও চলত। মনে হয় না, সাকিব কী করেছেন, কেউ তা আমার লেখা পড়ে জানার অপেক্ষায় আছেন। দুপুর বিকালে গড়ানোর আগেই সবার তা জানা হয়ে গেছে। মাঠে দর্শক যাওয়ার সুযোগ না থাকলেও ইউটিউবের কল্যাণে অনেকেই তা লাইভ-ও দেখেছেন।

বেলগুলো সাকিব বল করে ফেলেননি। ছবি: বিসিবি

এই ঘটনার পর আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদের সঙ্গে সাকিবের যে প্রায় হাতাহাতি হতেই বাকি ছিল, এটাও কারও অজানা নেই। সাকিবকে নিয়ে মানুষের যে আগ্রহ, তাতে পরে দুজনের মিটমাট হয়ে গেছে বলে যে খবর বেরিয়েছে সংবাদ মাধ্যমে, সেটাও নিশ্চয়ই জানা হয়ে গেছে অনেকের। সাকিবের ঘটনাটা নিয়ে আরেকটু বিস্তারিত বলার আগে খালেদ মাহমুদকে নিয়ে একটু বলে নিই। ওপরে তাঁর পরিচয় লিখেছি 'আবাহনীর কোচ', তবে তাঁর বড় পরিচয় তো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক। যেন-তেন পরিচালক নন, খুবই প্রভাবশালী পরিচালক, ডেভেলপমেন্ট কমিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ একটা কমিটির চেয়ারম্যানও। এই পদমর্যাদার একজন মানুষ বাংলাদেশ দলের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন কলহে লিপ্ত হওয়ার কথা শুনলে বাকি ক্রিকেট বিশ্ব নিশ্চয়ই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাবে। এ-ও কি সম্ভব!

দুই কারণে ব্যাপারটা অসম্ভব মনে হওয়ার কথা। প্রথমত ক্রিকেট বোর্ডের একজন পরিচালক নীতিগতভাবেই কোনো ক্লাবের কোচ হতে পারেন না। এটা পরিষ্কার 'স্বার্থের সংঘাত'। খালেদ মাহমুদের দলের যখন খেলা থাকে, মাঠের আম্পায়াররাও তো ম্যাচের দুই দলের মধ্যে এক দলের কোচের ক্ষমতা সম্পর্কে সম্যক অবগত থাকেন। এমনিতেই আম্পায়ারদের ওপর চাপের শেষ নেই, অভাব নেই সেই 'চাপ' আসার আগেই তাতে নতি স্বীকার করার মতো আম্পায়ারেরও। তার ওপর এমন প্রতাপশালী একজন বোর্ড পরিচালক যদি কোনো দলের কোচ হন, সেই দলের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে তাঁর আঙুল তো অসার হয়ে যেতেই পারে। 

আরেকটা কারণেও খালেদ মাহমুদের এই দ্বৈত ভূমিকা 'অসম্ভব'-এর পর্যায়ে পড়ে। এমন তো হতেই পারে, বোর্ড পরিচালক হিসেবে সাকিবের কোনো 'অন্যায়' আচরণের বিচারের দায়িত্ব পড়ল খালেদ মাহমুদের ওপর। তখন কি তিনি নিরপেক্ষ থাকতে পারবেন? বা নিরপেক্ষ থাকলেও তা কেউ বিশ্বাস করবে? খালেদ মাহমুদ পেশায় ক্রিকেট কোচ, এটা তাঁর রুটিরুজি, একথা তিনি নিজেও অনেকবারই বলেছেন। সে ক্ষেত্রে কিছু করার নেই। তাঁকে বোর্ড পরিচালক অথবা ক্রিকেট কোচ যেকোনো একটা ভূমিকা বেছে নিতে হবে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য খালেদ মাহমুদ অনেক কিছু করেছেন। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়েও তাঁর বড় ভূমিকার কথা প্রত্যেকে স্বীকার করেন। যাঁর সঙ্গে তাঁর লেগে গেল, সেই সাকিবও তো কিছুদিন আগেই এই বোর্ডে যাঁরা ভালো কাজ করছেন, তাঁদের নাম বলতে গিয়ে খালেদ মাহমুদের নামটাই আগে বলেছেন।

ছবি: সাইফ চৌধুরী

এই যে কথাগুলো লিখছি, এটা মোটেই খালেদ মাহমুদের প্রতি কোনো ব্যক্তিগত বিরাগ থেকে নয়। আমি নিজেকে তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষী বলেই দাবি করতে চাই। কিন্তু স্বার্থের যে সংঘাতের কথা বলছি, সেই প্রসঙ্গ কীভাবে ভুলে থাকি! এ থেকে মুক্তির পথ তাঁর নিজেরই খুঁজে নেওয়া উচিত ছিল। ক্রিকেট বোর্ডেরও এ ব্যাপারে চোখ বুঁজে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

এবার সাকিবে আসি। মুশফিকুর রহিম এলবিডব্লিউ ছিলেন কি ছিলেন না, এ ব্যাপারে এক শ পার্সেন্ট নিশ্চিত করে তো আর বলা যায় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কি আমরা দেখি না, আলট্রা এজ, বল ট্র্যাকিং এমন কত কিছুর সাহায্য নিয়ে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হয়। সাকিব বলবেন, 'প্লাম্ব এলবিডব্লিউ', মোহামেডানও তা-ই। আবাহনী হয়তো একমত হব না। আম্পায়ার কী বলবেন, তা তো আমরা তাঁর সিদ্ধান্ত থেকেই জেনেছি।

পুরো ঘটনাটা জানার পর আমার যা মনে হয়েছিল, তা নিয়ে উৎপলশুভ্রডটকমের ফেসবুক পেজে আমি একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। তা এ রকম: 

"দু্ই যুগ আগেও ঢাকার ফুটবল-ক্রিকেটে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচের অপরিহার্য অনুষঙ্গ ছিল মাঠে গণ্ডগোল, রেফারিং-আম্পায়ারিং নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, প্রায়ই তা গ্যালারিতে ছড়িয়ে পড়ে দুই দলের সমর্থকদের  মধ্যে তুমুল মারামারিতে রূপ নেওয়া। পুলিশের লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, প্রাণহানি...এসবও মোটামুটি নিয়মিত ব্যাপারই ছিল। 

গ্যালারির অংশটা অনেক দিনই মৃত। মোহামেডান হীনবল হয়ে পড়ায় বাকিটুকুও টিম টিম করে জ্বলছে। তবে পাখি উড়ে যাওয়ার পর পালক পড়ে থাকার মতো কিছুটা রেশ এখনো আছে। তবে এখন মনে হয়, তাতে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে। অন্তত ক্রিকেটে আম্পায়ারদের বিরুদ্ধে দ্বিমুখী আচরণের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় না। তাঁদের বিতর্কিত সব সিদ্ধান্ত এক দলের পক্ষেই যায় বলেই বাকি সব দলের মধ্যে বিরল ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। 
আজ আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচটাতে মাঠে থাকতে পারলে আরও স্পষ্ট করে সব লিখতে পারতাম। তবে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের মুখে ঝাল খেয়েও যতটুকু বুঝতে পারছি, তাতে এই দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ 'খুবই উজ্জ্বল'!

একজন বোর্ড পরিচালকের (ও হ্যাঁ, তাঁর তো আবার আজ অন্য পরিচয়) সঙ্গে দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকার মধ্যে যা হয়েছে, সেটিকে বলতে পারেন 'আইসিং অন দ্য কেক।'

জয়তু বাংলাদেশের ক্রিকেট!"      

আমি কী বলতে চেয়েছি, এই পোস্ট থেকে কারও তা না বোঝার কথা নয়। তা আমার লেখার গুণে নয়। আসল কারণ, ঘরোয়া ক্রিকেটে গত কয়েক বছর ধরে যা হচ্ছে, তা মোটামুটি 'ওপেন সিক্রেট'। সমস্যাটা হলো, সাকিবের আচরণ সম্পর্কে দেওয়া পরের পোস্টটা নিয়ে। তাতে কী লিখেছিলাম, সেটাও তুলে দিলে  আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে।

সাকিব যখন মাইকেল হোল্ডিং

"ব্যাটসম্যান এলবিডব্লিউ ছিলেন কি ছিলেন না, এটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। আম্পায়ার পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কি না, এটাও। এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক বিতর্ক হতে পারে। তবে সাকিব যা করেছেন, তা যে ঘোরতর অন্যায়, এ নিয়ে কোনো তর্ক নেই। ভিডিওতে সাকিবের স্টাম্পে লাথি মারার দৃশ্যটা দেখে মাইকেল হোল্ডিংয়ের কথা মনে পড়ে গেল। সাকিব তাঁর এই কাণ্ডের পেছনে যেসব কারণ বলবেন, হোল্ডিংয়ের ক্যারিয়ারের দাগ ফেলা ওই লাথির পেছনেও একই কারণ। তবে এখন হোল্ডিং এ নিয়ে অনুতাপ করেন। সাকিবও একদিন নিশ্চয়ই করবেন।"

ফেসবুক নাকি মূলত গালাগালি চর্চারই জায়গা। তবে আমার সৌভাগ্যই বলতে হবে, যেকোনো কারণেই হোক, আমাকে মানুষ গালি দেওয়ার যোগ্য মনে করেন না। এ নিয়ে অবশ্যই আমার কোনো অভিযোগ নেই। তবে সাকিবের পোস্টটার নিচে কমেন্ট পড়তে গিয়ে একটু অবাক এবং তার চেয়েও ব্যথিত হয়ে দেখলাম, এবার নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটেছে। গালিতে বৈচিত্র্য ছিল, তবে একটা ব্যাপারে বেশ কয়েকজনকে একমত দেখলাম যে, আমি নাকি 'পা চাটা দালাল'। সেটা কাদের, প্রয়োজন নেই বলে অনেকেই তা উল্লেখ করেননি। দালালি করলে তো মানুষ ক্ষমতাবানদেরই করে। আমি তাই ধরে নিলাম, বিসিবি বা আবাহনীর (এই দুটি অবশ্য ইদানীং প্রায়ই একাকার হয়ে যায়) কথাই বলা হয়েছে।

আম্পায়াররা খেলা বন্ধ করলে এমনই ভঙ্গিতে ক্যামেরায় ধরা পড়েন সাকিব। ছবি: ইউটিউব

আমার খুব রাগ হলো। সাংবাদিকতা জীবনে ভুল নিশ্চয়ই করেছি। কিন্তু এটা তো জোর গলাতেই বলতে পারি, কারও দালালি তো করিইনি, পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে কারও পক্ষে বা বিপক্ষে একটা লাইনও লিখিনি। ইদানীং যেহেতু ইউটিউবও করছি, লিখিনি-এর সঙ্গে 'বলিনি'-ও যোগ করা কর্তব্য বলে মনে হচ্ছে। উৎপলশুভ্রডটকমের ওয়েবসাইটে আমি শালীন ভাষায় ভিন্নমত জানানোর একটা সংস্কৃতি চালু করার চেষ্টা করে আসছি।  এজন্য সবার সহযোগিতাও চেয়ে আসছি শুরু থেকেই। সেই চাওয়ার ব্যত্যয় ঘটাটাও আমার রেগে যাওয়ার আরেকটা কারণ। আমি তাই বেশ কয়েকজনের কমেন্টের জবাব দিলাম। গালি দেওয়াটা যেহেতু আমার আসে না, শালীন ভাষাতেই যতটুকু পারা যায় কড়া জবাবই।

মজাটা হলো, এসব যখন চলছে, তখনো আমি জানি না, সাকিব এর বেশ কিছুক্ষণ আগেই তাঁর আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। সাকিবের ফেসবুক পেজে এটিও নিশ্চয়ই সবাই পড়ে ফেলেছেন। তারপরও নিজের পোস্ট যেহেতু তুলে দিয়েছি, সাকিবেরটাও মনে হয় দেওয়া উচিত। ইংরেজি-বাংলা দুই ভাষাতেই লিখেছেন সাকিব। বাংলায় যা এ রকম: 

"প্রিয় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা, যারাই আজকের ম্যাচে আমার আচরণ দেখে কষ্ট পেয়েছেন বিশেষ করে ঘরে বসে যারা খেলা দেখেছেন, তাদের কাছে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমার মতো অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটারের কাছ থেকে এমনটা মোটেও কাম্য নয়, কিন্তু মাঝে মাঝে প্রতিকুল পরিবেশে এমনটা হতেই পারে। এমন ভুলের জন্য সকল দল, কর্তৃপক্ষ, টুর্নামেন্ট সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও অর্গানাইজিং কমিটির কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আশা করি ভবিষ্যতে এমন কোন কাজে আমি আর জড়াবো না। সকলের জন্য ভালোবাসা।"
-সাকিব আল হাসান

ক্ষমা চেয়ে সাকিব ঠিক কাজই করেছেন। মাথা গরম করে তিনি যা করে ফেলেছেন, আম্পায়ার যত যা-ই করুন না কেন, তিনি তা করতে পারেন না, এটা তাঁর বুঝতে না পারার কোনো কারণ নেই। কিন্তু আমার ফেসবুক পোস্টে যাঁরা কমেন্ট করেছেন, তাঁরা তা বুঝলেন না কেন, বা বুঝতে চাইলেন না কেন? এটা ই অন্ধ তারকাপ্রীতি? সাকিবকে ভালোবাসি, তাই সাকিব যা করবেন, সেটিকেই ঠিক বলতে হবে 'নীতি'র অনুসরণ? প্রথম আলোর একটা জরিপ থেকে প্রশ্নটা আরও বড় হলো। জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল: আম্পায়ারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিবের স্টাম্প ভাঙা সমর্থন করেন কি?

এমনিতে এটা কোনো প্রশ্নই হওয়ার কথা নয়। এটা কি সমর্থন করার মতো কিছু না কি! অথচ জরিপে অংশগ্রহণকারী ৫৫ শতাংশই এটিকে সমর্থন করছেন। সমর্থন করেন না, এমন মানুষের সংখ্যা ৪৩ শতাংশ। বাকি দুই শতাংশ সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

আমার ফেসবুক পোস্টের নিচে সাকিবের আচরণের সমর্থনে করা মন্তব্যগুলো থেকেই কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিলাম, প্রথম আলোর জরিপের ফলটা একেবারে নিঃসন্দেহ করে দিল। অন্ধ তারকাপ্রীতির কিছুটা ভূমিকা থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু সাকিবের এই লাথিকে অনেকেই দেখছেন ঢাকার লিগগুলোতে যে সীমাহীন নোংরামি চলছে, তার প্রতিবাদ হিসেবে। সেই প্রতিবাদের ধরনটা যে শুধু ক্রিকেটীয় শিষ্টাচার বহির্ভূতই নয়, রীতিমতো অপরাধ, এটাকেও মানুষ উপেক্ষা করতে চাইছে ধৈর্য্যের শেষ সীমায় পৌঁছে যাওয়ার কারণে।

এই ডিপিএল শুরুর আগেই সিসিডিএমের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার দ্বিতীয় বিভাগের একটি ক্লাবের মালিক এই ওয়েবসাইটেই লিখেছেন, কীভাবে তাঁর ক্লাবকে প্রথম বিভাগ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় বিভাগ থেকেও নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কোনোমতে ব্যর্থ করে দিতে পেরেছেন। প্রথম আলোতে কাজ করার সময় আমার সহকর্মী তারেক মাহমুদ এক পৃষ্ঠা জুড়ে তথ্যপ্রমাণসহ ঢাকার লিগগুলোতে পাতানো খেলার মহোৎসব নিয়ে রিপোর্ট করেছেন।

কিন্তু সকলই গরল ভেল! পরিস্থিতিটা এখন এমন জায়গায় চলে গেছে যে, ম্যাচে সাকিবের লাথি দিয়ে স্টাম্প ভেঙে ফেলাকেও বেশির ভাগ মানুষ সমর্থন করছেন!

ক্রিকেট বোর্ডের মহাশক্তিধর সভাপতি নাজমুল হাসান, আপনি কি এরপরও কিছু করবেন না?

আরও পড়ুন: ফরম্যাট বদলে ডিপিএল কেন, কী উদ্দেশ্যে?

সম্পর্কিত বিষয়:

শেয়ার করুনঃ
আপনার মন্তব্য
আরও পড়ুন