কাজী সালাউদ্দিন: বাংলাদেশের প্রথম সুপারস্টার

দুলাল মাহমুদ

১ এপ্রিল ২০২১

কাজী সালাউদ্দিন: বাংলাদেশের  প্রথম সুপারস্টার

স্বাধীনতার পর গত ৫০ বছরে ক্রীড়ানুরাগীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন অনেক খেলোয়াড়, অনেক অতিথি, মনে ছাপ রেখে গেছে খেলার অনেক আয়োজন। এ সব থেকে সেরা ৫০ বাছাই করতে গেলে হিমশিম খেতে হবেই। হয়তো বিতর্কও হবে। তারপরও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে একটা চেষ্টা করে দেখা তো যেতেই পারে। কী বলেন?

তখন সময়টাই অন্যরকম। পরিবর্তনের একটা পাগলা হাওয়া এসে সদ্য স্বাধীন দেশকে দারুণভাবে নাড়িয়ে দেয়। পরাধীনতা থেকে মুক্ত হয়ে শুরু হয় নতুনভাবে পথচলা। সব কিছু ভেঙে নতুন কিছু গড়ার সংকল্প তরুণ প্রজন্মের। সেই সময় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করে হিপি আন্দোলন, নারীবাদী আন্দোলন, যৌন বিদ্রোহ। সংগীতভুবনে রীতিমতো বাঁধভাঙা জোয়ার। দুনিয়া কাঁপিয়ে দিচ্ছেন ‘দ্য কিং’ খ্যাত এলভিস প্রিসলি, পপশিল্পী বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, রক ব্যান্ড ‘দ্য বিটলস’-এর জন লেনন, পল ম্যাকার্টনি, জর্জ হ্যারিসন, রিঙ্গো স্টার, ‘দ্য রোলিং স্টোনস’-এর মিক জ্যাগার, কিথ রিচার্ডস, ব্রায়ান জোনসরা, রক ব্যান্ড পিঙ্ক ফ্লয়েড, রেগের পুরোধা বব মার্লে, এল্টন জন প্রমুখ। মাতিয়ে দিচ্ছেন ডিসকো সংগীত। শিল্পীদের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তাঁদের বোহেমিয়ান জীবনযাপন, ফ্যাশন, গ্ল্যামার তরুণ প্রজন্মকে তুমুলভাবে আকৃষ্ট করে।

খেলোয়াড়ি জীবনে কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। ছবি: পত্রিকা থেকে

তার ঢেউ এসে দুলিয়ে দেয় বাংলাদেশের তরুণ-যুবকদের। টাটকা যুদ্ধের স্মৃতি আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সংগীত, নাটক আর ফুটবলে নিজেদের নিবেদন করেন গরিষ্ঠ একটি অংশ। আজম খান, ফেরদৌস ওয়াহিদ, ফিরোজ সাঁইদের ভিন্নধর্মী সংগীত; আলী যাকের, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, রাইসুল ইসলাম আসাদদের সংগ্রামী চেতনা নিয়ে মঞ্চনাটক আর ফুটবল মাঠের নান্দনিক শিল্পীরা ক্রীড়াশৈলী দিয়ে মাতিয়ে দেন। তখন তো আমাদের দেশে ফুটবল খেলা ছিল তুমুল জনপ্রিয়। ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে পায়ের কারুকাজ দিয়ে রাঙিয়ে দিচ্ছেন পেলে, ইউসেবিও, ববি মুর, ববি চার্লটন, গারিঞ্চা, জর্জ বেস্টরা। এই ফুটবলারদের শৈলীতে মাতোয়ারা দুনিয়ার তাবৎ ফুটবল অনুরাগীরা। যদিও বাংলাদেশে তাঁদের খেলা দেখার তেমন সুযোগ ছিল না। কিন্তু বিশ্বখ্যাত এই ফুটবলারদের কীর্তিগাথার খবর পত্রপত্রিকায় ছিটেফোঁটা পাওয়া যেত। বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে এ দেশেও ছড়িয়ে পড়ে ফুটবলের তরঙ্গ। জনপ্রিয়তার পারদ তখন তুঙ্গস্পর্শী। সেই সময়কার সামাজিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ফুটবলাররাই ছিলেন তারকা। তাঁদের নিয়ে মাতামাতির অন্ত ছিল না। কিন্তু সবাইকে ছাপিয়ে মহাতারকা হয়ে ওঠেন একজন।

তাঁর নাম কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

কাজী সালাউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল মাঠে তাঁর খেলার ভঙ্গিমা, তাঁর স্টাইল, তাঁর ফাঁপানো চুল অন্যদের থেকে তাঁকে আলাদা করে তোলে। তিনিই প্রথম লম্বা চুল রেখে খেলতে থাকেন। ঠিক প্লেবয় না বললেও তাঁকে অনায়াসেই ফ্ল্যামবোয়ান্ট বলা যেতে পারে। সামগ্রিকভাবে তাঁকে বাংলাদেশের প্রথম সুপারস্টার বললে মোটেও বাড়াবাড়ি হবে না।

ইংলিশ ফুটবল ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন জর্জ বেস্ট। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন প্লেবয় ইমেজের অধিকারী। সেই সত্তর দশকের গোড়ায় তাঁর নাম আমাদের মতো দেশে খুব বেশি পরিচিত ছিল না। কিংবদন্তি এই ফুটবলারের কথা আমরা প্রথম সালাউদ্দিনের মুখেই শুনতে পাই। তাঁর প্রিয় ফুটবলার ছিলেন নান্দনিক এই ড্রিবলার। এই দুজনের জীবনযাপন ভিন্ন হলেও কোথাও না কোথাও একটা মিল খুঁজে পাওয়া যেত। তখনকার অভিজাত এলাকা ধানমন্ডির যে পরিমন্ডল থেকে সালাউদ্দিন ফুটবল খেলতে এসেছিলেন, সেই পরিমন্ডলে জর্জ বেস্ট অপরিচিত কেউ ছিলেন না। স্বাভাবিকভাবেই কাজী সালাউদ্দিন ছিলেন সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে। জর্জ বেস্টের মতো ঝাঁকড়া চুল আর খানিকটা ক্যাসানোভা চরিত্রের কারণে তিনি হয়ে ওঠেন নতুন প্রজন্মের আদর্শ পুরুষ। স্বাধীনতা উত্তর সময়ের শ্রেয়তর প্রতিনিধি।

স্ট্রাইকারের মূল কাজ গোল করা, সেই গোলটাও স্টাইলিশভাবেই করতেন কাজী সালাউদ্দিন। আবাহনীর হয়ে মোহামেডানের বিরুদ্ধে এই গোলটা আশির দশকের শুরুতে। গোলকিপারের নাম শহিদুর রহমান সান্টু। ছবি: খন্দকার তারেক

অবশ্য শুধু ক্যারিশমা দিয়ে, গ্ল্যামার দিয়ে কিংবা স্টাইল দিয়ে তো আর সুপারস্টার হওয়া যায় না। যে বিষয়ে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন, সেক্ষেত্রে মুন্সিয়ানা দেখানোটা প্রধান বিবেচ্য হয়ে ওঠে। ফুটবলার হিসেবে সালাউদ্দিনের ছিল আলাদা একটা বৈশিষ্ট্য। খেলার মেজাজ ও শৈলী দিয়ে নিজের আলাদা একটা অবস্থান গড়ে নেন। এমনিতে ফুটবলে স্ট্রাইকাররাই থাকেন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। যে যত বেশি গোল করতে পারেন, তিনি ততই দর্শকনন্দিত হন। স্ট্রাইকার হিসেবে তিনি ছিলেন অত্যন্ত তুখোড়। বল নিয়ে তিনি যখন ক্ষিপ্রগতিতে ছুটতেন, তার আলাদা একটা সৌন্দর্য ও দ্যুতি তো ছিলই, লক্ষ্যভেদ করার ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা ছিল প্রশ্নাতীত। জীবনে অসংখ্য গোল করেছেন। তাঁর গোল করার মধ্যে আলাদা একটা চাকচিক্য ছিল। ক্যারিশম্যাটিক ফুটবলার বলতে যা বোঝায়, তিনি ছিলেন তাই। যাঁর খেলা দেখার জন্য স্টেডিয়ামে ছুটে আসত দর্শক । এমনকি প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকেরাও তাঁর খেলা দেখার জন্য মাঠে আসতেন। সালাউদ্দিন যখন খেলতেন, এমনকি খেলা ছাড়ার পরও অধিকাংশ ফুটবলার তো বটেই, অন্য খেলার খেলোয়াড়দের কাছেও প্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন তিনি। শুধু খেলোয়াড়রাই কেন, জাতীয় জীবনের সর্বস্তরেই ছিল তাঁর গ্রহণযোগ্যতা। সবার কাছেই তিনি যথেষ্ট সমাদর পেতেন।

সালাউদ্দিন যে পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন, সেখানে ক্রিকেট খেলাটাই ছিল আভিজাত্যের প্রতীক। সে সময় সাধারণত সমৃদ্ধ, সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত পরিবারের ছেলেরাই ক্রিকেট খেলতেন। সালাউদ্দিনেরও ক্রিকেট খেলায় দীক্ষা হয়। তিনি তা ভালোই রপ্ত করেন। ব্যাটসম্যান হিসেবে যথেষ্টই ভালো ছিলেন। আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে ছুটিয়েছেন রানের ফোয়ারা। কিন্তু শাহীন স্কুলে পড়ার সময় ফুটবলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। দ্বিতীয় বিভাগ লিগে দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে তাঁর অভিষেক এবং সে বছরই চ্যাম্পিয়ন হয় দলটি। ১৪ গোল দিয়ে সর্বাধিক গোলদাতা হন এই সেন্টার ফরোয়ার্ড। এরপর ১৯৬৯ সালে প্রথম বিভাগ ফুটবল লিগে ওয়ারীর হয়ে খেলেন। প্রথম ম্যাচেই রহমতগঞ্জের বিপক্ষে করেন হ্যাটট্রিক। লিগে করেন ১৮ গোল। পরের বছর তাঁকে লুফে নেয় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের হয়ে ভারতের বিভিন্ন স্থানে খেলেন। সে সময় ভারতীয় দর্শকদের হৃদয় জয় করে নেন। 

স্বাধীনতার পর ‘স্বাধীনতা কাপ’ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন মোহামেডানের সাফল্যের নায়ক ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালে যোগ দেন তরুণ প্রজন্মের দল আবাহনী ক্রীড়া চক্রে। আবাহনী ও সালাউদ্দিন হয়ে ওঠেন একে অপরের সম্পূরক। পরের বছর দিলকুশার বিপক্ষে ডাবল হ্যাটট্রিকসহ ৭ গোল করেন। ২৪ গোল দিয়ে হন সর্বাধিক গোলদাতা। ১৯৭৭, ১৯৭৯ ও ১৯৮০ সালেও এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঝে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন, মোটেও সহজ ছিল না। তাঁর হ্যাটট্রিকের সংখ্যাও নেহায়েত মন্দ নয়। ফুটবল খেলার কারণে ১৯৮২ সালে জেলও খেটেছেন। এটা তাঁর জীবনে বেদনাদায়ক স্মৃতি হয়ে আছে। ১৯৮৪ সালে লিগের শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গে খেলায় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ঢাকা স্টেডিয়ামের গ্যালারি ভর্তি দু’দলের সমর্থকরা তাঁকে যেভাবে অভিবাদন জানান, তা খুব কম ফুটবলারের জীবনে ঘটেছে।

১৯৮৪ সালে লিগের শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গে খেলায় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি ঢাকা স্টেডিয়ামের গ্যালারি ভর্তি দু’দলের সমর্থকেরাও তাঁকে যেভাবে অভিবাদন জানান, তা খুব কম ফুটবলারের জীবনে ঘটেছে। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় দল হেরে গেলেও তিনি প্রায়শই গোল আদায় করে নিতেন। নিজস্ব ক্রীড়াশৈলী দিয়ে আলাদাভাবে নজর কাড়তে সক্ষম হতেন। ১৯৭৫ সালে মালয়েশিয়ার মারদেকা কাপে বাংলাদেশ মোটেও সুবিধা করতে পারেনি। কিন্তু তাঁর খেলা দেখে আমন্ত্রণ জানায় হংকংয়ের ক্যারোলিন হিল ক্লাব। বাংলাদেশের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে ১৯৭৬ সালে পেশাদার ফুটবল লিগে খেলার মাধ্যমে সালাউদ্দিন নিজেকে তুলে নেন ভিন্ন এক উচ্চতায়। সে সময়ের প্রেক্ষাপটে এটি ছিল অনেক বড় ঘটনা। ফুটবলীয় সব গুণের সঙ্গে তাঁর খেলায় বাড়তি চোখে পড়ত বুদ্ধিমত্তার ছাপ। তাঁর গোল করার স্টাইল ছিল ভিন্ন রকমের। তিনি এমন কিছু গোল করেছেন, যা দর্শকের হৃদয়ে গেঁথে গেছে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সফরকারী প্রথম বিদেশি দল কলকাতা মোহনবাগান ক্লাবের বিপক্ষে অসাধারণ একটি গোল করেন। তাঁর গোলেই জয়ী হয় ঢাকা একাদশ।

১৯৭৫ সালে মারদেকা কাপে তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক। শক্তিশালী বার্মার বিপক্ষে ৪০ গজ দূর থেকে তাঁর করা গোলটি ছিল রোমাঞ্চকর। ১৯৭৭ সালে আবাহনীর হয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে তাঁর জয়সূচক গোলটিও ছিল মনে রাখার মতো। ১৯৭৯ সালে সফরকারী কলকাতা মোহামেডানের বিপক্ষে শেষ মিনিটে তাঁর গোলটিও ছিল অপূর্ব। এ গোলের মাধ্যমে জয় পায় আকাশি-নীলরা। একই বছর আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের প্রথম জয়ের অন্যতম নায়কও তিনি। ঢাকায় সপ্তম এশিয়ান কাপের গ্রুপ-২ এর কোয়ালিফাইং রাউন্ডে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩-২ গোলের ম্যাচে শেষ গোলটি করেন। চোখজুড়ানো এরকম অসংখ্য গোল করে দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নেন। তাঁর প্রায় প্রতিটি গোলই যেন ইতিহাস হয়ে আছে। খেলার মাঠে কৃতিত্বের পাশাপাশি তাঁর জীবনযাপন, পছন্দ-অপছন্দ, স্টাইল, দীর্ঘ চুল সবই ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে লাইফবয় সাবানের বিজ্ঞাপন মডেল হওয়াটাও ছিল তাঁর জনপ্রিয়তার একটি মাপকাঠি। তবে নিয়মিত অনুশীলনে না আসা, খেলার দিন দেরিতে আসা, শৃঙ্খলা না মানার অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এসব থেকে মুক্ত থাকতে পারলে তিনি হয়তো নিজেকে আরও উপরে তুলে নিয়ে যেতে পারতেন।

বিদায় ফুটবল! ১৯৮৪ সালে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচশেষে। ছবি: খন্দকার তারেক

কোচ হিসেবেও সালাউদ্দিন সাফল্য পেয়েছেন। খেলা ছাড়ার পরের বছর ১৯৮৫ সালে তাঁর প্রশিক্ষণে ফেডারেশন কাপ ও লিগে চ্যাম্পিয়ন হয় আবাহনী। সেটা ছিল আকাশি-নীলদের হ্যাটট্রিক শিরোপার বছর। এই সাফল্য সালাউদ্দিনের ক্যারিয়ারে যোগ করে নতুন মাত্রা। তারপর বিভিন্ন ক্লাব ও জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ১৯৭৯ সালে তাঁকে সেরা ফুটবলার এবং ১৯৯২ সালে সেরা কোচ নির্বাচিত করে। ১৯৯৬ সালে পেয়েছেন ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’। ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্বে আছেন। সেই ভূমিকায় তাঁর সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে কথা হতেই পারে, কিন্তু ফুটবলার সালাউদ্দিন অমলিন হয়ে থাকবেন চিরদিনই।  

আরও পড়ুন...
ঢাকার মাঠে সবচেয়ে বড় ফুটবল উৎসব 
মোহাম্মদ আলী যখন বাংলাদেশের 
আকাশি-নীলের উত্থান
বক্সাররাই আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে পদক জয়ের পথ-প্রদর্শক!
অশ্রু আর বেদনা নিয়ে শুরু ক্রীড়াঙ্গনের যাত্রা

 
শেয়ার করুনঃ
আপনার মন্তব্য
আরও পড়ুন
Add
Ispahani Mirzapore Tea
×