মুক্তিযুদ্ধের অমর সাঁতারু অরুণ নন্দী

দুলাল মাহমুদ

১২ অক্টোবর ২০২১

মুক্তিযুদ্ধের অমর সাঁতারু অরুণ নন্দী

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অনেকেই অনেকভাবে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে সাঁতারু অরুণ নন্দীর অংশগ্রহণটাকে বলতে হবে ব্যতিক্রমী। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে ১৯৭১ সালে কলকাতায় অবিরাম সাঁতারের বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। তাঁর ৯০ ঘণ্টা ৫ মিনিটের সাঁতার শেষ হয়েছিল ৫০ বছর আগে আজকের এই দিনে অর্থাৎ ১২ অক্টোবর। সেই কীর্তির গল্পই এখানে।

অবিরাম ও দূরপাল্লার সাঁতারু হিসেবে তিনি জীবনে অসংখ্যবার ঝুঁকি নিয়েছেন। মুখোমুখি হয়েছেন মৃত্যুর। এ নিয়ে তাঁর কোনো দুশ্চিন্তা ছিল না। আপাতদৃষ্টিতে তাঁকে শান্তশিষ্ট মনে হলেও তিনি ছিলেন দুঃসাহসী এক সাঁতারু। যখন দেখেন দেশের মানুষ নির্বিচারে গণহত্যার শিকার হচ্ছেন, তখন তিনি নিশ্চুপ থাকতে পারেননি। কিছু একটা করার জন্য ছটফট করতে থাকেন। প্রয়োজনে নিজের জীবনের বিনিময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে অবদান রাখার সংকল্প করেন। 

কীভাবে তা করবেন? তিনি তো একটা জিনিসই সবচেয়ে ভালো পারেন, তা হলো সাঁতার। এই সাঁতার দিয়েই কিছু একটা করার জন্য তিনি ঝাঁপিয়ে পড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানতেন, সাদামাটা কিছু করলে নজর কাড়া যাবে না। এমন কিছু করতে হবে, যা সাড়া জাগাতে পারে। তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেন সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে, সে বিষয়ে জনমত গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, এমন একটা ভাবনা তাঁকে পেয়ে বসে। ভারতের মাটিতে 'স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল'-এর তৎপরতা তাঁর মনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তখন সাঁতারের মাধ্যমে এমন কিছু করার কথা চিন্তা করতে থাকেন। 

অরুণ নন্দী মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অরুণ নন্দী কলকাতায় আশ্রয় নেন। কলেজ স্কয়ার নামে পরিচিত 'বিদ্যাসাগর সরোবর' তাঁকে যেন চুম্বকের মতো টেনে নিয়ে যায়। তিনি তখন পূর্ব পাকিস্তানের একজন পরিচিত সাঁতারু। বিশেষ করে অবিরাম ও দূরপাল্লার সাঁতারে তাঁর স্বকীয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো। তাই সাঁতারের এই নন্দনকানন দেখে তিনি স্থির থাকতে পারেননি। যদিও এর সঙ্গে আগেই পরিচয় ছিল তাঁর। তারপরও ভর্তি হয়ে যান 'বউবাজার ব্যায়াম সমিতি'র সুইমিং পুলে। সুইমিং কোচ কে পি সরকার আর তাঁর সহকারী দেবী দত্তের কাছে আধুনিক সাঁতারের দীক্ষা নেন। 

সেই সময় জানতে পারেন, ভারতের শৈলেন্দ্র মেমোরিয়াল ক্লাবের সাঁতারু দিলীপ দে কলেজ স্কোয়ারে ৭৯ ঘণ্টা অবিরাম সাঁতার দিয়ে এশিয়ান রেকর্ড গড়েছেন। অন্যদিকে ৮৯ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট কেটে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন যুক্তরাষ্ট্রের সাঁতারু বি সি মুল। এটা তাঁর মনে দারুণভাবে ছাপ ফেলে। তিনি তো এমন একটা কিছু করার কথাই গভীরভাবে ভাবছিলেন। এই রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার সংকল্প করেন তিনি। যদিও তখন পর্যন্ত তাঁর একটানা ৫৮ ঘণ্টার বেশি সাঁতার কাটার অভিজ্ঞতা ছিল না। এটাও তাই জানতেন, বিশ্বরেকর্ড করা তাঁর জন্য মোটেও সহজ হবে না। তখন তাঁর বয়স ৩০ বছর। তাতেও তিনি হতোদ্যম হননি। বরং তিনি অনুপ্রেরণা খুঁজেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে। জীবনে যাঁরা কখনও অস্ত্রই দেখেননি, সেই তাঁরাই অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে অবলীলায় জীবন দিচ্ছেন। আর তিনি সাঁতারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে কার্যকর অবদান রাখতে পারবেন না? এজন্য যদি তাঁর জীবন সংশয় হয় তো হবে। দেশের স্বার্থে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে পারা তো সৌভাগ্যের ব্যাপার।

যে-ই ভাবা সে-ই কাজ। এই অভিপ্রায় নিয়ে কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের দফতরে যান। সেখানে দেখা হয় ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী সাঁতারু ব্রজেন দাস, মুজিবনগর সরকারের অর্থ সচিব খন্দকার আসাদুজ্জামানের সঙ্গে। তাঁদেরকে তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানান। তাঁরা এ বিষয়ে উৎসাহিত করেন এবং সহযোগিতা দেওয়ার কথা বলেন। এই আশ্বাস পাওয়ার পর তিনি কলকাতার 'চাঁদপুর সম্মিলনী'র কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করলে তাঁরা এ সংক্রান্ত খরচের ব্যয়ভার বহনের আশ্বাস দেন। এই সাঁতার আয়োজনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেয় 'বউবাজার ব্যায়াম সমিতি'। 

অবিরাম সাঁতারের এই সংবাদ পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলে বিপুল সাড়া পড়ে যায়। আয়োজকদের তরফ থেকে কলকাতা শহরজুড়ে পোস্টারিং করা হয়। হ্যান্ডবিল ছাড়া হয়। বেতারেও ঘোষণা দেওয়া হয়। সাঁতার শুরুর আগেই 'জয়বাংলার সাঁতারু' হিসেবে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি অর্জন করেন। যে উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি অবিরাম সাঁতার কাটার জন্য মনস্থির করেন, সেটা আগেই অনেকটা অর্জিত হয়ে যায়। এটা তাঁকে আরো বেশি অনুপ্রাণিত করে। মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাঁতারের তারিখ ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। 

১৯৭১ সালের ৮ অক্টোবর সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে সাঁতারের উদ্বোধন করেন কলকাতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হোসেন আলী। তিনি পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন জানালে বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তাঁর উপস্থিতি এই আয়োজনকে মহিমান্বিত করে। লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় কলেজ স্কয়ার চত্বর। মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী থেকে শুরু করে কলকাতার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ছুটে আসেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতীয় সংগীত বাজানো হলে অরুণ নন্দী দারুণভাবে আপ্লুত হন। বুকে জমাটবাঁধা কান্না নিয়ে সুইমিংপুলে নেমে সাঁতার শুরু করেন। মাইকে বাজানো হয় দেশাত্মবোধক ও উদ্দীপনামূলক গান। 

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে তিনি সাঁতরাতে থাকেন। দিন পেরিয়ে রাত নেমে আসলে তাঁর শরীর কেমন অবসন্ন হয়ে যায়। ক্রমাগত বমি হতে থাকে। সঙ্গে রক্ত। এমনটা অতীতে কখনও হয়নি। অতিরিক্ত টেনশনের কারণে এটা হয়। কিন্তু তিনি মনোবল না হারিয়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন, আমাকে শক্তি দাও। সাহস দাও। দেশের জন্য এটা আমার সংগ্রাম। আমি আমার দেশকে হেরে যেতে দিতে পারি না। এভাবে রাতটা পাড়ি দেন। পরের দিন বমি কমে আসে। এরপর আর তাঁকে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি। 

অরুণ নন্দীকে উৎসাহ দিতে নানা আয়োজন

১০ অক্টোবর তাঁর পায়ে ক্র্যাম্প হয়।  অসহ্য এই ব্যথা তিনি সইতে পারছিলেন না। তারপরও সেটাকে গুরুত্ব না দিয়ে সাঁতার অব্যাহত রাখেন। তিন দিন পার হয়ে যায়। এর আগে এত দীর্ঘ সময় তিনি কখনও সাঁতার কাটেননি। নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞায় অটল অরুণ নন্দী তারপরও সাঁতারাতেই থাকেন। তাঁকে প্রতিনিয়ত উৎসাহিত করেন ডা. শ্যামা দাস, কোচ দেবী দত্তসহ অনেকে। ১১ অক্টোবর ক্র্যাম্প থেকে একটু মুক্তি পান, কিন্তু ক্লান্তিতে শরীর তখন ভেঙে আসছে তাঁর। বুকের ভিতর জ্বালা-পোড়া করছে। হাত দুটো ক্রমশ অবশ হয়ে আসতে থাকে। ঘুমে চোখ বুজে আসতে চাইছে। নিজেকে ভাসিয়ে রাখতে পারছিলেন না। কোনো কিছু নিয়ন্ত্রণে থাকতে চাইছিল না। কাউকে কিছু বলতেও পারছিলেন না। 

তীব্র যন্ত্রণায় চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়তে থাকে অশ্রু। তবুও তিনি হার মানতে রাজি হননি। তাঁর অসহায়ত্ব অনুভব করতে পেরে লাইফ সেভার পরেশ দত্ত, ভাই অনিমেষ নন্দী বিভিন্নভাবে উজ্জীবিত করতে সচেষ্ট থাকেন। কিছুক্ষণ পর পর চা, দুধ, পানি দিয়ে আপ্যায়িত করে তাঁকে সজীব রাখেন। চারদিকে তীব্রভাবে বাজতে থাকে ব্যান্ড। এতে তাঁর মানসিক শক্তি খানিকটা বেড়ে যায়। মনে মনে বলেন, তাঁকে অবশ্যই পারতে হবে। ভারতের খ্যাতিমান সাঁতারু দিলীপ দে'র ৭৯ ঘণ্টা অবিরাম সাঁতারের এশীয় রেকর্ড ভেঙে দিলে উৎসবমুখর হয়ে উঠে চারপাশ। তাতে তিনি নতুন উদ্যমে সাঁতরাতে থাকেন। 

তারপরও বিশ্ব রেকর্ডকে মনে হয় অনেক দূরের পথ। এক একটা মুহূর্তকে মনে হতে থাকে অনন্তকাল। তখন তাঁর মনে পড়ে যায় কালজয়ী সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের লেখা 'দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রে কিউবান সেই বৃদ্ধ জেলে 'সান্তিয়াগো'-র কথা। যে হাল ছেড়ে না দিয়ে ৮৫তম দিনে মাছ ধরার জন্য খুব ঝুঁকি নিয়ে সাগরের অনেক গভীরে যান। বড় একটা মাছ ধরে ভীষণ বিপাকে পড়েন। অদম্য মনোবলকে সম্বল করে শেষ পর্যন্ত মাছটাকে নিয়ে বিজয়ী হয়ে ফিরে আসেন। বৃদ্ধ সান্তিয়াগো পারলে তিনি কেন পারবেন না? এই ভাবনা তাঁকে উদ্দীপ্ত করে। অরুণ নন্দী ৮৪ ঘণ্টা পেরিয়ে যান। আর মাত্র ৫/৬ ঘণ্টা। তাহলে তিনি বিশ্ব রেকর্ড করতে পারবেন। কিন্তু তখন সময় যেন থমকে যায়। প্রতিটি সেকেন্ডকে তাঁর মহাকাল মনে হতে থাকে। আর যেন পেরে উঠছিলেন না। 

তাহলে কি কূলে এসে ডুবে যাবে তরী? তিনি ব্যর্থ হলে একটা প্রত্যাশার অপমৃত্যু ঘটবে। এত এত আয়োজন বিফলে যাবে। চিরদিন একজন পরাজিত মানুষ হিসেবে পরিগণিত হবেন। এ তো হতে পারে না। নিজেকে উজ্জীবিত করার জন্য নিজের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। বোধশক্তি হারিয়ে ফেললেও শুধু মনের ইচ্ছেশক্তি দিয়ে সাঁতার কাটেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা বুঝতে পেরে তাঁকে উৎসাহিত করার জন্য পানিতে নামেন ব্রজেন দাস। ১১ অক্টোবর রাত ১২টা পেরিয়ে যায়। গভীর রাত হলেও চারপাশে ছিল ঝলমলে আলো। অন্ধকার থেকে তিনি আলোর পথে যেতে থাকেন। ঘনিয়ে আসে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। চারপাশের হৈ-হুল্লোড় আর উল্লাসের মধ্যে দিয়ে তিনি বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। ৯০ ঘণ্টা ৫ মিনিট সাঁতার কাটার পর অনিচ্ছুক তাঁকে তুলে আনা হয়। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ২টা ৩৫ মিনিট। ক্যালেন্ডারের হিসেবে ১২ অক্টোবর। 

বিশ্বরেকর্ড গড়ে উঠে আসার পর অরুণ নন্দীর পরিচর্যা করা হচ্ছে

সকাল হওয়ার আগেই সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ে অরুণ নন্দীর কীর্তির কথা। তাঁকে এক পলক দেখার জন্য মানুষের ঢল নামে। সমাজের সব স্তরের মানুষেরা ছুটে আসেন। শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিবিদ, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক থেকে শুরু করে কে নয়? মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী কামারুজ্জামান, আবদুল মান্নান, ফণীভূষণ মজুমদার, শেখ আবদুল আজিজ, পদস্থ কর্মকর্তা হোসেন আলীসহ নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের অনেকে আসেন। আসেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়, বরেণ্য লেখক অন্নদা শংকর রায়, প্রবোধ কুমার সান্যাল, ক্রীড়াব্যক্তিত্ব শৈলেন মান্না থেকে শুরু করে ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী ভারতের ড. বিমল চন্দ্র, আরতী সাহা। তাঁর এই কৃতিত্ব দারুণভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। তিনি তখন রীতিমতো মহাতারকা। এই সাঁতার যোদ্ধা হয়ে উঠেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রতীক। তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার হিড়িক পড়ে যায়। 

এর আগেই অবশ্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে কুষ্টিয়া এবং নদীয়া জেলার যৌথ উদ্যোগে সাঁতারু কানাইলাল শর্মা ১৯৭১ সালের ২৩ থেকে ২৭ আগস্ট নদীয়ার কৃষ্ণনগরে ৯০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট সাঁতার কাটেন। কিন্তু কলকাতা থেকে দূরবর্তী হওয়ায় তা মোটেও সাড়া জাগাতে পারেনি। তিনি যে লক্ষ্য নিয়ে রেকর্ড গড়েন, তা অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। এ কারণে তাঁর কথা কেউ তেমনভাবে মনে রাখেনি। যদিও তাঁর এই উদ্যোগ ও কৃতিত্বকে অস্বীকার বা খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। তারপরও মুক্তিযুদ্ধের সাঁতারু বললে সবার স্মৃতিপটে ভেসে উঠে একটি নাম। তিনি অরুণ নন্দী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে তিনি অমর হয়ে থাকবেন। ২০০৮ সালের ১৬ নভেম্বর তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। অরুণ নন্দীর অবিস্মরণীয় কৃতিত্বের সুবর্ণজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি আমাদের অপরিসীম কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মন্তব্য
আরও পড়ুন