মোহাম্মদ আলী যখন বাংলাদেশের 

দুলাল মাহমুদ

১৫ এপ্রিল ২০২১

মোহাম্মদ আলী যখন বাংলাদেশের 

স্বাধীনতার পর গত ৫০ বছরে ক্রীড়ানুরাগীদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন অনেক খেলোয়াড়, অনেক অতিথি, মনে ছাপ রেখে গেছে খেলার অনেক আয়োজন। এ সব থেকে সেরা ৫০ বাছাই করতে গেলে হিমশিম খেতে হবেই। হয়তো বিতর্কও হবে। তারপরও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে একটা চেষ্টা করে দেখা তো যেতেই পারে। কী বলেন?

আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ক্রীড়াবিদরা বাংলাদেশের মানুষের কাছে তখন রীতিমতো রূপকথার নায়ক। দূর আকাশের তারাও বলা যেতে পারে। মূলত সংবাদপত্র কিংবা টেলিভিশনের মাধ্যমে মেঘে ঢাকা সূর্যের মতো দীপ্তি ছড়ায়। তাতে অবশ্য চোখ ধাঁধিয়ে না গেলেও রোশনাইয়ের ঝলক পেতে সমস্যা হয়নি। তা নিয়ে কমতি ছিল না আবেগের। আমাদের সঙ্গে এই মহানায়কদের তখন যোজন যোজন দূরত্ব। কাছ থেকে তাঁদের নাগাল পাওয়া অনেকটা স্বপ্নের মতো। তবে স্বপ্নও কখনও কখনও সত্যি হয়ে যায়। না হলে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের একজন হেভিওয়েট বক্সার মোহাম্মদ আলীকে এদেশের মানুষের কাছ থেকে দেখা পাওয়ার কথা নয়। সে সময়ের প্রেক্ষাপটে এটি ছিল বড় একটি ঘটনা। ফুটবল নিয়ে মেতে থাকা বাঙালির জীবনে তা রীতিমতো আলোড়ন তুলেছিল।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট পাওয়ার পর ঢাকায় লাল সবুজ পতাকা হাতে মোহাম্মদ আলী

স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের মাটিতে পা দেওয়া সবচেয়ে বড় ক্রীড়া তারকা ছিলেন তিনি। এমনকি এখন পর্যন্তও তাঁর চেয়ে বেশি ঝলমলে আর কোনো ক্রীড়াবিদ এ দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আলোকিত করতে পারেননি। আর্জেন্টিনার ফুটবলার লিওনেল মেসি, বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স দলের খেলোয়াড় জিনেদিন জিদানরা এসেছেন। কিন্তু জনপ্রিয়তা, গ্ল্যামার ও প্রভাবের কথা বিবেচনা করলে সর্বকালের অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ আলীর সমতুল্য তাঁরা কেউ নন। যখন বাংলাদেশে আসেন, তখন তিনি অবিসংবাদিত এক ব্যক্তিত্ব। দুবার জয় করেছেন বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। সবচেয়ে বড় কথা, যে খেলায় সুপ্ত মৃত্যুর ফিসফিসানি, জান্তব সেই খেলাটিকে তিনি পরিণত করেন শিল্প, সৌন্দর্য ও সুষমায়। বক্সিং রিংয়ে তাঁর প্রজাপতি নৃত্য নান্দনিক শৈলীর অপরূপ এক নিদর্শন। তিনি প্রতিপক্ষকে যেভাবে নাজেহাল করতেন, তা দেখে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ যদি তাঁর বিখ্যাত সংলাপ ‘মাইরে ভিটামিন আছে’ রচনা করে থাকেন, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। প্রতিকূল পরিবেশ থেকে যেভাবে কঠিন লড়াই করে উঠে এসে তিনি নিজেকে চিনিয়েছেন, তার কোনো তুলনা হয় না। সত্যিকার অর্থেই নিজেকে প্রমাণ করেন ‘দ্য গ্রেটেস্ট’ হিসেবে। 

সস্ত্রীক বাংলাদেশে পা রাখছেন মোহাম্মদ আলী

'ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে জুনিয়র' থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে মোহাম্মদ আলী হওয়ার মধ্যে আছে জীবনের গভীর এক উপলব্ধি। বক্সিং তাঁকে পরিচিত করলেও তাঁর ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য দিয়ে তিনি আলাদা একটা অবস্থান গড়ে নেন। যে জীবনবোধ নিয়ে বেড়ে ওঠেন, তাতে কোনো অন্যায়-অবিচার-অবহেলা তিনি মেনে নিতে পারতেন না। জীবনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত তাঁকে সইতে হয়েছে। সে সময় আফ্রো-আমেরিকান হওয়াটা ছিল অভিশাপের মতো। এখনও কি সেই অভিশাপ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া গেছে? মানুষ হিসেবে ছিল না মৌলিক অধিকার কিংবা বিন্দুমাত্র সম্মান। তাঁদের সঙ্গে পশুর মতো যে আচরণ করা হতো, তার প্রতিবাদ করার সুযোগ ছিল না। এমনকি তাঁদের স্বপ্ন দেখাটাও ছিল মস্ত অপরাধ। দাসদের আবার কীসের স্বপ্ন? কত কত মানুষ ন্যূনতম অধিকার ও সম্মানটুকু না পেয়ে চিরতরে হারিয়ে গেছেন। তিনিও হারিয়ে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিতে অনুধাবন করতে পারেন, শারীরিক শক্তি দিয়ে অন্যায়-অপমানের প্রতিকার করা না গেলেও অন্তত রুখে দাঁড়ানোর দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যায়। তারপর থেকে শুরু করেন শক্তির সাধনা। অবশ্য আর দশজন কৃষ্ণাঙ্গের মতে বখে যাওয়ার প্রলোভন থাকলেও তিনি সে পথ মাড়াননি। বরং আগুনে পুড়ে পুড়ে পরিণত হন নিখাদ সোনায়। 

তিনি ছিলেন অধিকারহীন কালো মানুষদের জোরালো কণ্ঠস্বর। তাঁর কীর্তিতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন বিশ্বের সব নিপীড়িত মানুষ। ভিয়েতনাম যুদ্ধে অংশ নিতে অস্বীকার করায় তাঁকে চরম খেসারত দিতে হয়। জেল-জুলুম ছাড়াও বক্সিং রিংয়েও তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। সবকিছু হারিয়েও তিনি কিন্তু হতোদ্যম হননি। তাঁকে দমিয়ে রাখা যায়নি। বরং হয়ে ওঠেন মানবতার অনন্য এক প্রতীকে। তাঁর আপষহীন এই ভূমিকার জন্য নন্দিত হন দুনিয়াব্যাপী। সবাইকে অবাক করে দিয়ে প্রায় চার বছর পর পুনরায় বক্সিংয়ে ফিরে এসে তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করেন। বুঝিয়ে দেন বক্সিং রিংয়ে তাঁর কোনো জুড়ি নেই। তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। 

১২ বছরের গিয়াসউদ্দীনের ঘুসি খেয়ে পড়ে যাওয়ার ভান করছেন মোহাম্মদ আলী। ঢাকা স্টেডিয়ামে এক প্রদর্শনী ম্যাচে। ছবি: দ্য টাইমস

বাংলাদেশের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন কিংবদন্তি। ভিয়েতনাম যুদ্ধে আমেরিকা অন্যায়ভাবে জড়িয়ে পড়ায় তাতে তিনি যোগ না দিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন, তাঁর এ সিদ্ধান্ত সর্বত্রই প্রশংসিত হয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিয়মবিরুদ্ধভাবে পাকিস্তানকে সমর্থন দেওয়াটা তাঁর মেনে নেওয়ার কথা নয়। যদিও এ বিষয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি জানা যায়নি। তারপরও তাঁকে নিয়ে এমন একটা সদর্থক মনোভাব এ দেশের মানুষের মধ্যে সঞ্চারিত হতেই পারে। সব মিলিয়ে তাঁর মতো একজন স্বপ্নপুরুষকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পাওয়া ছিল দুর্লভ এক অভিজ্ঞতা। 

১৯৭৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সকালে মোহাম্মদ আলী সপরিবারে ঢাকায় আসেন। সঙ্গে ছিলেন বাবা, মা, স্ত্রী, অনুজ ও অন্যান্যরা। চার দিনের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরার জন্য 'মোহাম্মদ আলী গোজ ইস্ট: বাংলাদেশ-আই লাভ ইউ' নামক একটি তথ্যচিত্রে অংশ নেওয়া। কিন্তু সফরে রওনা হওয়ার দু’দিন আগে হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপে অপ্রত্যাশিতভাবে স্বদেশি লিওন স্পিংকসের কাছে তিনি হেরে যান! জয়ের ব্যাপারে তিনি এতটাই আস্থাশীল ছিলেন যে, এই পরাজয় তাঁর কাছে ছিল একদমই অভাবিত। প্রকৃত অর্থেই এটি ছিল বক্সিং ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটনের একটি। আলী তাই রাগে-ক্ষোভে রীতিমতো ফুঁসতে থাকেন। পারলে তখনই রিংয়ে নেমে প্রতিশোধ নেন। বিশ্ব শিরোপা হারানোর মনোবেদনার কারণে তিনি বাংলাদেশে আসতেও চাননি। বুঝিয়ে-সুঝিয়ে তাঁকে রাজি করানো হয়। 

নৌবিহারে যাওয়ার আগে পাগলা ঘাটে মোহাম্মদ আলী ও তাঁর স্ত্রী ভেরোনিকাকে স্বাগত জানাচ্ছেন এয়ার কমান্ডার মঈনুল ইসলাম। ছবি: ওয়াকার এ খান

বাংলাদেশের মাটিতে পা দেওয়ার পর তিনি যেন নতুন এক জগতের সঙ্গে পরিচিত হন। তাঁকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর থেকে তিনি আপ্লুত হয়েছেন মানুষের বাধভাঙা ভালোবাসায়। তখন প্রকৃতিও সেজে উঠেছে ফাগুনের রঙে। তাঁকে বরণ করে নেয় বসন্ত। ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় তাঁর চারপাশ। সর্বত্রই তাঁকে নিয়ে আবেগ-উচ্ছ্বাস। যেখানেই গিয়েছেন হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন উৎসাহী মানুষ। তিনি অবস্থান করেন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন 'পদ্মা'য়। তাঁর কর্মসূচি শুরু হয় শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌবিহার দিয়ে। নারায়ণগঞ্জের পাগলায় বিআইডব্লুটিএ-এর স্টিমার গাজীতে চড়ে উপভোগ করেন নৈসর্গিক সৌন্দর্য। তারপর তাঁকে বঙ্গভবনে সম্মানজনক নাগরিকত্ব প্রদান, বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেওয়া, সিলেটের বালিসারা চা বাগানে সংবর্ধনা, ঢাকা পৌরসভার উদ্যোগে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাঁকে নিয়ে লেখা গান সদলবলে গেয়ে শুনিয়েছেন জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। 

বাংলাদেশের পাসপোর্ট পেয়ে ভীষণ খুশি হন মোহাম্মদ আলী। যে কারণে পাসপোর্ট হাতে নিয়েই জিঞ্জেস করেন, তাহলে আমি কি এখন থেকে বাংলাদেশের নাগরিক? তাঁর কথায় সম্মতি জানানো হলে তিনি আবার প্রশ্ন করেন, এই পাসপোর্ট দিয়ে দুনিয়ার সব দেশে যেতে পারব? তাঁকে বলা হয়, অবশ্যই পারবেন। তখন তিনি আপ্লুত হয়ে বলেন, আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। এখন তারা যদি আমাকে আমেরিকা থেকে বের করে দেয়, তাহলে আমার আর একটি বাড়ি আছে। তাঁর এই কথোপকথন মোটেও হালকা চালের ছিল না। কারণ, ভিয়েতনাম যুদ্ধের ঘটনায় তাঁর সঙ্গে যা যা করা হয়, তাতে তাঁর মধ্যে আমেরিকা নিয়ে একটা সংশয়ের মনোভাব গড়ে ওঠাটা মোটেও অস্বাভাবিক ছিল না।

প্রমোদতরী গাজীতে নৌবিহারে স্ত্রী ভেরোনিকার সঙ্গে আলী। ছবি: ওয়াকার এ খান

মোহাম্মদ আলীর বাংলাদেশ সফরের সবচেয়ে আর্কষণীয় অধ্যায় ছিল ঢাকা স্টেডিয়ামে ১২ বছর বয়সী মুষ্টিযোদ্ধা গিয়াসউদ্দিনের সঙ্গে তাঁর প্রদর্শনী লড়াই। এ লড়াইয়ে তাঁর দুষ্টুমি দর্শকদের বিমল আনন্দ দেয়। আলী এমন ভান করেন, যেন প্রতিপক্ষের সঙ্গে মোটেও পেরে ওঠছেন না। কখনও টলতে থাকেন, কখনও পড়ে যান, কখনও রেফারি এম এ মতিনের দিকেও তেড়ে যান। পেশীশক্তি, রক্তক্ষয়ী ও নৃশংস একটি খেলায় খ্যাতিমান হলেও তিনি ভিতরে ভিতরে যে কতটা রসিক ও পরিহাসপ্রিয়, সেদিন সবাই অনুভব করতে পারেন। তিনি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে আস্বাদন করেন সমুদ্র সৈকতের উত্তাল ঢেউ। ঢাকায় ফিরে উদ্বোধন করেন তাঁর নামে নামকরণ করা ‘মোহাম্মদ আলী বক্সিং স্টেডিয়াম’। ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে তিনি পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করেন। তাছাড়া তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের কনসাল জেনারেলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশ সফরে প্রতি মুহূর্ত তিনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেন। এটা তাঁর ভাবভঙ্গিতেই দৃশ্যমান হয়। বেশিরভাগ সময়ই হাসি-তামাশা-দুষ্টুমিতে মেতে ছিলেন। জীবনে যশ, খ্যাতি, প্রতিপত্তি অনেক পেয়েছেন, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ হৃদয় উজাড় করে দিয়ে তাঁকে যা দিয়েছে, তা তিনি কোথাও পেয়েছেন বলে মনে হয় না। যে কারণে যাওয়ার আগে বলে যান, 'আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। এখন থেকে এটি আমার দ্বিতীয় দেশ'।

লিওন স্পিংকসের কাছে হেরে মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশ সফর বাতিল করে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এ সফরেই তিনি পেয়েছেন উজ্জীবনের রসদ, তা লিখলে বোধকরি অত্যুক্তি হবে না। এ কারণে যাওয়ার আগে বলিষ্ঠ কণ্ঠে ঘোষণা দেন, ‘আমি ফিরে গিয়ে লিওন স্পিংকসকে হারিয়ে খেতাব পুনরুদ্ধার করব। বক্সিং ইতিহাসে আমিই প্রথম বক্সার হিসেবে তৃতীয়বার শিরোপা ফিরিয়ে আনবো।’ তিনি তাঁর কথা রেখেছিলেন। সাত মাসের মধ্যে খেতাব পুনরুদ্ধার করার পর বাংলাদেশের কথা তাঁর মনে পড়েছিল কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি। 

বিদায় নিচ্ছেন আলী।

বক্সার হিসেবে আগেই পেয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের নিরঙ্কুশ সমর্থন ও ভালোবাসা, কিন্তু সে সফরে এসে তিনি জয় করে নেন এ দেশের মানুষের হৃদয়। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল এক অধ্যায় হয়ে আছে মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর বাংলাদেশ সফর। তখন বাংলাদেশ নবীন একটি দেশ। তারপরও নানান রকম ঘনঘটায় দেশে বিরাজ করছিল অস্থিরতা। সে কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করারও একটা তাগিদ ছিল। মোহাম্মদ আলী সফর করায় অন্তত ক্রীড়া বিশ্বে আলাদাভাবে সবার নজর কাড়তে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন...
ঢাকার মাঠে সবচেয়ে বড় ফুটবল উৎসব 
আকাশি-নীলের উত্থান
বক্সাররাই আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে পদক জয়ের পথ-প্রদর্শক!
কাজী সালাউদ্দিন: বাংলাদেশের প্রথম সুপারস্টার
অশ্রু আর বেদনা নিয়ে শুরু ক্রীড়াঙ্গনের যাত্রা

 
শেয়ার করুনঃ
আপনার মন্তব্য
আরও পড়ুন